পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি

বাংলাদেশের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ২৯০ ইউএস ডলার। বেশি ঋণ দেয় চীন। ২০৩০ নাগাদ চীন-ই হবে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। রোহিঙ্গা সংকটে এই চীন-ই মিয়ানমারকে সাপোর্ট দিচ্ছে। তমব্রু লেইকে মিয়ানমার ব্রিজ বানাতে চাচ্ছে এখানেও বোধ হচ্ছে চীনের হাত আছে। চীন চাচ্ছে মিয়ানমারের সাথে কিছু হোক। তারপর সে আরও ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিক। অন্যদিকে জাপান আমাদের নতুন প্রস্তাবিত ৮৮টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী দেশ। জাপান স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। ২০১০ এর পর জাপানে ৩ জন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছে শুধুমাত্র ওদের সংবিধান-এ 'যুদ্ধ' যুক্ত করার জন্য। সম্প্রতি জাপান ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম বহুদেশীয় সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারের একটা বড় অংশ হল যুক্তরাষ্ট্র। চলমান স্নায়ু যুদ্ধের পরিণতি যদি অদূর ভবিষ্যতে হয় আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ এবং চীন ও জাপান একে অপরের বিপক্ষে থাকে তাহলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কি হবে সেটাই ভাববার বিষয়।   

স্বাধীনতার ঘোষক

কিছু সত্য কথা বলি। হাইস্কুলের আগে পাঠ্যবইয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ কিংবা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে তেমন কোন তথ্য আমাদের সময়ে পাইনি (আমার মনে পড়ে না)। তবে সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে সেগুলো ধীরে ধীরে আসতে শুরু করে ২০০১-২০০৬ এর মাঝামাঝি সময়ে। আমি ব্যক্তিগতভাবে কনফিউজড হয়ে যেতাম কারণ পাঠ্যবইয়ে লেখা একজনের নাম আবার বাড়িতে (যারা যুদ্ধ করেছেন) বলে আরেকজনের নাম। আমি এমন একটা সময়ে লেখাপড়া করেছি যেসময় আমি শুধু পাঠ্যবই থেকে ভুলটাই জেনেছি। অনেক পরে স্নাতকসময়ে ২০০৯এর পর ধীরে ধীরে আসল তথ্য প্রমাণসহ আসতে শুরু করে। আমিও জানতে শুরু করলাম মুক্তিযুদ্ধের আসল ইতিহাস, অনেক বাইরের বই পড়লাম জানলাম; বুঝলাম যে কী ভুলই না শিখিয়েছিল ওইসময়কার পাঠ্যপুস্তকগুলো। আমি চাইব না আমার পরের প্রজন্ম ভুল জানুক। তারা সঠিক করে যেন বলতে পারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান-ই স্বাধীনতার ঘোষক (বাকিরা পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে দিয়েছিলেন) :) স্বাধীনতার ঘোষক কে? এই বিভ্রান্তি কাটাতে চান? আমার দৃষ্টিতে সেরা একটি আর্টিকেল যেটা পড়লে আপনার অনেক কিছুই জানা হবে ক্লিয়ার হয়ে যাবে তা কমেন্ট বক্সে শেয়ার করলাম :) আসুন প্রকৃত ইতিহাস জানি; জানাই। শুভ জন্মদিন বাং...