দুইটি বাইরের কোম্পানিতে চাকরীর জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলাম। স্কাইপে ভাইভাও হয়েছিল। এখন আজ দুটোই আমাকে মেইল দিয়েছে একেকটা রিজেকশন লেটার দেখে মনে হচ্ছে একেকটা পারসুয়েসিভ লেটার; বেশ অমায়িকভাবে তারা শেষমেশ বুঝিয়েছে তারা এযাত্রায় আমাকে নিতে পারছেন না! আর আমাদের দেশের কোম্পানিগুলো তো মুখের উপর না বলে দেয়। এখানেই পার্থক্য!
পোস্টগুলি
এপ্রিল, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
ভবিষ্যতে যারা সামরিক প্রতিষ্ঠানে পড়তে আসবে তাদের প্রতি কিছু অগ্রিম উপদেশ (কিংবা অনুরোধ) হল- "সর্বদা মাথায় রাখবে তুমি একজন বেসামরিক; প্রতিদিন নতুন নতুন নিয়ম আরোপ করা হবে। যদি পাশ করে যেতে চাও তাহলে মাথা পেতে মেনে নিতে হবে। কোন প্রতিবাদ করা যাবে না কারণ, তুমি সামরিক প্রতিষ্ঠানের খেয়ে পড়ে কীভাবে প্রতিবাদ করবে? :) আর তোমার সাথে সাথে সামরিক কর্মকর্তাদেরদের ছেলেমেয়েরাও পড়বে তাদের বন্ধুর মত মেনে তো চলবেই এমনকি মাঝে মাঝে মন না চাইলেও তাদের যুক্তিগুলোও মেনে নিবে। সামরিক প্রতিষ্ঠানের সুন্দর গুছানো পরিবেশ দেখেই মোহগ্রস্থ হবে না। কারণ তার আড়ালে লুকিয়ে আছে অজস্র বিধিনিষেধ। এগুলো মাথা পেতে মেনে নিলে আশা করি টিকে থাকতে পারবে। ভেতরে ভেতরে মরে গেলে টেনে টুনে পাশ করে বের হবে কিন্তু স্বর্ণপদক পাবে এমন আশা না রাখাই ভালো। পুনশ্চঃ মনে রাখবে এটা ফেইসবুক। ফেইসবুকে বসে ফেইসবুকের বিরুদ্ধে অনেক কিছু বললেও এই নীতি বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারবে না। করলেই গোপনে স্ক্রিনশট কিংবা প্যাঁদানি খাবার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।" ইতি সামরিক প্রতিষ্ঠানের একজন প্রাক্তন বেসামরিক। (সবার জন্য প্রযোজ্য নয়)
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
কলেজে থাকতে স্যাররা কোন সিলেবাস ধরে পড়াতেন না। এক একটা বই আমরা তামা তামা করতাম। টেস্ট পরীক্ষার পর মাথায় আসত যে টেস্ট পেপার সল্ভ করা লাগবে! এর পর চেক করলে দেখা যেত সবই আমরা পারি। নটর ডেমের ছেলেদের তাই এসব সিলেবাস নিয়ে মাথা ঘামাতে দেখা যায় না কখনোই। ওরা যেকোনো প্রশ্নের জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকে। আর এভাবেই তাদের গড়া হয়। গতকালকের ফিজিক্স পরীক্ষার প্রশ্ন গতানুগতিক প্রশ্নের মত হয় নাই। যেসব অধ্যায় স্যাররা সাধারণত বাদ দিয়ে পড়ান সেগুলো হতেও প্রশ্ন দিয়েছে। যার ফলে বেশিরভাগ ছাত্র বাঁশ খেয়েছে। এদিক থেকে নটর ডেমের ছাত্র বাঁশ খেলেও তুলনামুলকভাবে কম বাঁশ খেয়েছে। কারণ, কিছু নটর ডেমের পরীক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে বুঝলাম ওরা এসবে কেয়ার করে না; আমরাও করতাম কিনা জানি না! তবে এটা বুঝা গেল, বাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে এসব ব্যাপারে নটর ডেমকে ফলো করতে পারে! শুধুমাত্র এইচএসসির জন্য ছেলেদের প্রস্তুত না করে আগামীর জন্য প্রস্তুত করা উচিত বলেই মনে করি! কিছু ছেলেপেলে এখনই হতাশ কেননা ফিজিক্সে এ প্লাস না আসলে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারবে না। তাদের জন্য পরামর্শ হল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার চেয়ে অন্য অনেক ভালো সাবজেক্ট ...
ছুটি!
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
শুক্র ও শনি দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। ২৯ এপ্রিল রোববার বৌদ্ধপূর্ণিমার সরকারি ছুটি। ৩০ এপ্রিল সোমবার থাকছে কর্মদিবস। শ্রমিক দিবসের ছুটি ১ মে। ২ মে বুধবার থাকছে পবিত্র শবে বরাতের ছুটি। ৩ মে বৃহস্পতিবার কর্মদিবস। ৪ ও ৫ মে শুক্র ও শনিবার রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। ৩০ তারিখ ভার্সিটি না গেলে টানা ১০ দিনের ছুটি!
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এই ক'দিনে কিছু কিছু মানুষের চেহারা চিনে রেখেছি। এরা ভাবেন তাদের জন্য BAT, Unilever, Marico, Telenor অপেক্ষা করছে; তারা কর্পোরেট লাইফ লিড করতে চান যেহেতু তারা নিজেদের এলিট ক্লাসের সদস্য মনে করেন। তাই তারা এসব আন্দোলনে গিয়ে সময় নষ্ট করতে চান না। আবার যখন তাদেরই সাথে পড়াশুনা করা কিছু মানুষ (তারা এলিট নন) প্রতিবাদ করতে চান; তাদের নানান কথা দিয়ে দাবিয়ে রাখতে চান এসব এলিট মানুষেরা। আসলে এরা কলোনাইজড মাইন্ড লালন করে চলেন। বাক্সের বাইরে চিন্তা করতে পারেন না। হু, মানলাম আপনারা বেসরকারি খাতে অবদান রাখবেন তাই বলে যারা সরকারী খাতে বিনিয়োগ করতে চান তাদের স্বপ্নকে আটকে বলতে পারেন না যে এসব আন্দোলনে যেয়ে লাভ নাই আমাদের মত করে স্বপ্ন দেখা শুরু করো! সবার জন্য সব কিছু না। সমাজে ভারসাম্য থাকা লাগে। কেউ যাবে বেসরকারিতে আবার কেউ যাবে সরকারীতে। আপনি হয়তোবা ভাবছেন আজ আমি বেসরকারি খাতে যাবো তাই আমার এতে কাজ কী! ভুল ভাবছেন, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কথা ভাবতে হবে। আজ আপনি নিজের প্রজন্মের মানুষকে কথা দিয়ে থামানোর বৃথা চেষ্টা করছেন। আগামীতে আপনারই ছেলেমেয়ে আপনাকে কথা শুনিয়ে দিতেও পারে।
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
টিভিটাতে বেশ সমস্যা। ঝির ঝির করে। আমার আম্মা বিটিভি দেখেন। আমি টিভি দেখি না বললেই চলে। বাসায় ফিরতেই আম্মা বললেন, এই যে তোরা আন্দোলন করছিস (আমি করি না যদিও সমর্থন করি) এভাবে ভিসির বাসা ভাঙ্গা কি ঠিক? আবার বলছিস ৫৬ কে ১০ করতে। একটু আগে তো বিটিভিতেই দেখালো সংবিধানে নাকি পারসেনটেইজ দিয়া বলা আছে? সংবিধানের বিপক্ষে তোরা শেষমেশ? আমি হাসলাম, বললাম ওয়েট। সংবিধানখানা নিয়া আসি। এরপর সংবিধান খুলে অনুচ্ছেদ ২৯ জোরে জোরে পড়ে শুনালাম। [২৯(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে] আর আম্মাকে সংবিধানখানা ধরিয়ে দিলাম। বললাম খুঁজে বের করুন কোথায় এসব ৫৬% এর কথা লিখা আছে! এটা আপনার এসাইনমেন্ট :) সংবিধান পড়ার চেয়ে মজার ব্যাপার আর কিছু নাই ;) পুনশ্চঃ বিটিভি জাতীয় গণমাধ্যম। স্বাভাবিকভাবেই তারা দিনশেষে ভাঙচুরই দেখাবে কিন্তু সংগ্রামটা দেখাবে না। আম্মা সোজা সরল মানুষ। ভাগ্য ভালো ৭১ টিভির খপ্পরে পড়েন নাই। বিটিভি হল মন্দের ভালো; দেশ যদি উল্টেও যায় তারপরেও ওরা দর্শকদের কাছে সেটা পৌঁছুতে দেবে না। তবে নিউজ যা করে সব ভেবে চিন্তেই করে। ৭১ এর মত ফালতু রিপোর্ট করে না! ...