পোস্টগুলি

মার্চ, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
উস্তাদ বলিলেন, দূরদর্শী হও, তালেব। আমি কহিলাম, কেমনে উস্তাদ? উস্তাদ শুধাইলেন, এত ত্রিশ ত্রিশ করো কেন? আমি কহিলাম, কেননা এর আগেই যা হইবার হইবে নচেৎ বারোটা বাজিবে। উস্তাদ হাসিয়া কহিলেন, বৎস চিন্তার পরিধি বৃদ্ধি করো। ত্রিশেই সব শেষ নহে অতো কেবল শুরু। অবাক হইয়া শুধাইলাম, শুরু? যদি নাহি পারি তো মৃত্যু অনিবার্য! উস্তাদ ভরসা দিয়া কহিলেন, আগামীর পৃথিবীর নিমিত্তে দক্ষতা অর্জন করো। বয়সকে ত্রিশে বাধিয়া ফেলাইও না। সেসময়ের জন্য ভাবিও যেসময়ে তোমাকে যুদ্ধ করিতে হইবে আজিকার তরুণদের সহিত। আমি উস্তাদের কথা মানিয়া লইতে বাধ্য হইলাম, বলিলাম- যথা আজ্ঞা! #উস্তাদওতালেব

ব্লকচেইনের খুঁটিনাটি (শেষ পর্ব)

ছবি
পর্ব - ১  ব্লকচেইন কীভাবে কাজ করে?  ব্লকচেইন মূলত একটি P2P নেটওয়ার্ক তৈরি করে যেখানে ব্লকচেইনের প্রত্যেকটি ব্লকের ডেটা ইন্টারনেটে কানেক্টেড থাকা যেকোনো ব্যাক্তি ব্লকগুলোকে ভেরিফাই করতে পারে। যখন কোন নতুন একজন এই ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে রেজিস্টার করে, তখন সে তার সামনের এনবং তার আগের সব ব্লকগুলোর কপি পেয়ে যায় এবং সে প্রত্যেকটি ব্লককে ভেরিফাই করে এবং নিশ্চিত করে যে ব্লকচেইনে থাকা প্রত্যেকটি ডেটা এখনও ঠিক আছে। ব্লকচেইনের প্রত্যেকটি ব্লক যত বেশি বার ভেরিফাই করা হয়, ডেটাগুলো ততই বেশি অপরিবর্তনীয় হয়ে ওঠে। মুলত এভাবেই ব্লকচেইন টেকনোলজি এগিয়ে যেতে থাকে। আমরা সবাই জানি যে বিটকয়েন ট্র্যানজেকশনগুলো ব্লকচেইন টেকনোলজির ওপরে ভিত্তি করে কাজ করে।  ধরুন, আপনার কাছে ১০ বিটকয়েন আছে এবং আপনি সেখান থেকে ৫ বিটকয়েন আমাকে সেন্ড করতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে এই অ্যামাউন্টটি আপনার ওয়ালেট থেকে আমার ওয়ালেটে ট্রান্সফার হবে। যখন আপনি আমার ওয়ালেট অ্যাড্রেসে বিটকয়েনটি পাঠিয়ে দেবেন, ঠিক তখন এই লেন-দেনটির সব ডিটেইলস নিয়ে ব্লকচেইনে একটি নতুন ব্লক তৈরি হবে। এই ব্লকটির ডেটা হিসেবে থাকবে সেন্ডার অর্থাৎ আপন...

ব্লকচেইনের খুঁটিনাটি

অনেক অনেক বছর আগে মানুষ যার যেটা প্রয়োজন সেই অনুযায়ী জিনিসপত্র লেনদেন করত। সেখানে সমস্যা হল, ধরা যাক সবজি চাষি রহিম মিয়ার এক বস্তা চাল লাগবে, বিনিময়ে সে এক ঝুড়ি সবজি দেবে। করিম মিয়ার কাছে বিনিময়যোগ্য এক বস্তা চাল আছে, কিন্তু সবজি তার প্রয়োজন নেই। তাহলে এখানে বিনিময় হতে পারছেনা। এভাবে সবাই ভেবে দেখলো, একটা এমন কিছু দরকার সকলের কাছে যার মূল্য আছে যেমন, সোনা। এভাবে সেই অনেক বছর আগে থেকে এখনো সোনাকে সম্পদ পরিমাপের একটা একক হিসাবে ধরা যায়। আগে সরাসরি সোনা লেনদেন হত, সেটা একসময় মানুষের প্রয়োজনমত কাগজের মুদ্রা ব্যবস্থায় রূপ নেয়। এভাবে বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রা যেমন, টাকা, ডলার, পাউণ্ড, ইউরো ইত্যাদি এসেছে। দেশের অর্থনীতির চাহিদা অনুযায়ী সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রা ছেপে বাজারে ছাড়তে পারে মানুষের ব্যবহারের জন্য। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন বা সম্পদ আদান প্রদান সংক্রান্ত ব্যাপারগুলো দেশের আইন অনুযায়ী সামলানোর জন্য তৈরি হয়েছে ব্যাংক বা ব্যাংকিং সিস্টেম। আমরা যে বিষয়ে কথা বলছি সেই সাপেক্ষে ব্যাংকের ভূমিকা সেটা একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করি। ধরা যাক, কালাম সাহেব যে কোন...
That's what exactly happening nowadays! "All of my ummah will be fine except for those who commit sin openly, an example of which is a man who does something at night, and when morning comes and Allaah has concealed his sin, he says, 'O So-and-so, I did such and such yesterday.' His Lord had covered his sin all night, but he has uncovered what Allaah had concealed." (Reported by al-Bukhaari, Fath 10/486)

জাতীয় উন্নয়ন : প্রাসঙ্গিক ভাবনা

উন্নয়নের একটি গ্রহণীয় সংজ্ঞা নির্ধারণ খুবই কঠিন। এটা আজ পর্যন্ত নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। কারণ এক এক তাত্ত্বিক এক এক ধরনের সংজ্ঞা দিয়েছেন। যেমন, অর্থনীতিবিদরা সব সময়ই উন্নয়নের সংজ্ঞার মধ্যে অর্থনীতিকে টেনে এনেছেন। সমাজবিজ্ঞানীরা উন্নয়নের সংজ্ঞার মধ্যে সমাজের উন্নয়নকে জোর দিয়েছেন। মনোবিজ্ঞানীরা উন্নয়নের সংজ্ঞার মধ্যে মানুষের মন-মানসিকতার উন্নয়নকে জোর দিয়েছেন। প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানীরা উন্নয়নের সংজ্ঞার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারের ওপর জোর দিয়েছেন। নৃ-বিজ্ঞানীরা উন্নয়নের সংজ্ঞার মধ্যে সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ফলে দেখা যায়, কেউই উন্নয়নের সর্বজনীন ও গ্রহণীয় সংজ্ঞা দিতে পারেননি। প্রত্যেকেই একটি নির্দিষ্ট সমাজ বা দেশের প্রেক্ষাপটে উন্নয়নের সংজ্ঞা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। এখন দেখা যাক বিভিন্ন তাত্ত্বিকের দৃষ্টিভঙ্গির পরিপ্রেক্ষিতে উন্নয়নের অতীত ও বর্তমানের সংজ্ঞা, যা উন্নয়নের গ্রহণীয় সংজ্ঞা সম্পর্কিত ধারণাকে আরো ত্বরান্বিত করবে। তবে আজকের এই লেখায় আমি অর্থনীতিবিদদের চোখে জাতীয় উন্নয়ন যেমন ঠিক তেমনটা তুলে ধরার চেষ্টা করব। জাতীয় উন্নয়নের এই ব্যাপারগুলো নিয়ে পুঙ্খানপ...
ছবি
তথাকথিত উন্নত (!) দেশে নাকি এরকম হয়, বাচ্চা-কাচ্চা বড় হওয়ার পর হঠাৎ একদিন উৎসবে মেতে ওঠে। ঘটনা কী? আজ নাকি তাদের বাবা-মার বিয়ে! ছোট বেলা থেকে পড়ে-লিখে আসছি বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। বড় হয়ে হঠাৎ একদিন দেখি উৎসবের আমেজ! বাংলাদেশ নাকি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে! যা সত্য বলেই জানতাম তা হঠাৎ সত্যি হয়ে যাওয়ার উচ্ছ্বাস ... এ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা! (জাতিসংঘের সাইট আপডেট মনে হয় অনেক স্লো... আমাদের এখনো স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে দেখাচ্ছে  -  https://www.un.org/.../least.../ldcs-at-a-glance.html এই সুযোগে আবার একদল দেখি আমাদের উদযাপন ঠেকাতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে -  https://www.jaachai.com/posts/post-2319 )
জার্মানির এক নামকরা ব্যাংকে ব্যাংক ডাকাতির সময়, ডাকাত দলের সর্দার বন্দুক হাতে নিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো, "কেউ কোন নড়াচড়া করবেন না, টাকা গেলে যাবে সরকারের,কিন্তু জীবন গেলে যাবে আপনার। তাই ভাবনা চিন্তা করে আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করুন।" এই কথা শোনার পর,সবাই শান্ত হয়ে চুপচাপ মাথা নিচু করে শুয়ে পড়েছিল। এই ব্যাপারটাকে বলে "Mind Changing Concept”,অর্থাৎ মানূষের ব্রেইনকে আপনার সুবিধা অনুযায়ী অন্যদিকে কনভার্ট করে ফেলা। সবাই যখন শুয়ে পড়েছিল,তখন এক সুন্দরী মহিলার অসাবধানবশত তার কাপড়,প া থেকে কিছুটা উপরে ঊঠে গিয়েছিল। ডাকাত দলের সর্দার তার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠল,"আপনার কাপড় ঠিক করুন!আমরা ব্যাংক ডাকাতি করতে এসেছি,রেপ করতে না।" এই ব্যাপারটাকে বলে "Being Professional”,অর্থাৎ আপনি যেটা করতে এসেছেন,অইটাই করবেন। যতই প্রলোভন থাকুক অন্যদিকে মনোযোগ দেওয়া যাবে না। যখন ডাকাতরা ডাকাতি করে তাদের আস্তানায় ফিরে এল,তখন এক ছোট ডাকাত(এমবিএ পাশ করা) ডাকাত দলের সর্দার(যে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে) কে বললো,"বস চলেন টাকাটা গুনে ফেলি" ডাকাত দলের সর্দার ...
আপনার পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আপনার সন্তান হওয়া উচিত না। ছোটবেলায় মাকে দেখতাম, মাছের মাথাটা সবসময় আব্বার প্লেটে দিতে। খুব ছোটবেলা থেকেই বুঝতাম যে তিনি এই পরিবারের প্রথম শ্রেণীর মানুষ। তিনি যখন ঘুমাতেন, তখন আমরা উচ্চস্বরে কথা বলতাম না। তার সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে, তার সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলার সাহস কখনই তৈরি হয়নি। আবার দাদী যখন বেড়াতে আসতেন, তখন মাকে দেখতাম আব্বার কিছু কিছু সুবিধা কমিয়ে দিতে। এটুকু ধারণা মা পরিষ্কার তৈরি করেছিলেন যে, সিনিয়ররা জুনিয়রদের চেয়ে অধিক  শ্রদ্ধাভাজন এবং অধিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন। এখন অবস্থা পাল্টেছে। যে কোন বাবা-মাকেই যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনার পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কে? তারা নিঃসন্দেহে বলবে, তাদের সন্তান। তাদের সন্তান সোনার টুকরা, হীরার টুকরা, প্লাটিনামের টুকরা। যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন তারা এতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারা এমন কি কাজ করেছে যে তারা এতটা গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সদুত্তর দিতে পারবে না। তারা কোন কারণ ছাড়াই, কোন যোগ্যতা অর্জন ছাড়াই প্রথম শ্রেণীর নাগরিক। আমাদের সমস্যার জায়গা এখানেই। কোন অফিসে যদি এমডির পরিবর্তে জুনিয়...
ফেইসবুক ডাটা ডাউনলোড করলাম। আমার আমলনামা আমারই সামনে। কখন, কবে, কোথায় কার সাথে কথা বলছি সব কিছুর রেকর্ড করে রাখছে ফেইসবুক। বেশ ভয়ংকর একটা ব্যাপার স্যাপার! একবার চিন্তা করেন এত খুঁটিনাটি পার্সোনাল ডাটা যদি সে অন্য আরেকজনকে দিয়ে দেয় তাইলে তো শ্যাষ! মানসম্মানের ফালুদা হবে!  তেমনি আমার দুইকাঁধের দুই ফেরেশতা আমার প্রতিদিনের ভালো মন্দ কাজ লিখে রাখছে। আলহামদুলিল্লাহ যে, আল্লাহ অনেক দয়া করে আমার এই মন্দ কাজগুলা পাবলিশ করেন নাই। তো শেষ বিচারের দিন আল্লাহর সামনে তারা ডাটাগুলো তুলে ধরবে একেবারে ভিডিওসহকারে। কোটি কোটি মানুষের সামনে মন্দকাজগুলো দেখানো হবে (এ কী করল বান্দা; দেখুন ভিডিও সহ)। মানসম্মান কই যাবে! আর তখন মানসম্মান দিয়া যে কী করব জানি না। ততক্ষণে সব শ্যাষ!  [এই পোস্ট থেকে যে যার মত লেসন নিবেন; যে যার মত বুঝবেন। দুইটা প্রেক্ষাপট তুলে ধরার ট্রাই করলাম; যার প্যাটার্ন প্রায় সিমিলার]
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের কপাল অার কোটাবিহীন জেনারেল ক্যাডারের প্রার্থীদের কপাল সেইম। প্রিলি, রিটেন, ভাইভা পাস হয় মাগার ক্যাডার জোটে না....... 
নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের মুখোমুখি।  প্রথমে টসে হেরে ব্যাট করতে নাম বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ করে বাংলাদেশ করে ১৬৬ রান।  জবাবে ভারত নেমে এক বল হাতে রেখে জিতে যায় ৪ উইকেটে।   একটা স্নায়ুক্ষয়ী ম্যাচ ছিল। বাঘের মত খেলেই হেরেছি আমরা।  নাগিন টার্মটা বিলুপ্তির আহবান জানাই। সাপের দেশ নই। টাইগার ছিলাম; টাইগার থাকব; আজীবন। 
সরকারী চাকুরির সার্কুলার ঠিক চিপ্সের প্যাকেটের মত। ৫৬% বাতাস আর ৪৪% চিপস। 
ছবি
ইসলামপূর্ব সময়ে আরবদের মাঝে অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ছিলেন হাতিম তাঈ (মৃত্যু ৬০৫ সাল)। সবাই তার দানদক্ষিণার খবর জানতেন। এ ব্যাপারে তিনি ছিলেন আরবদের মাপকাঠি। তিনি গরিবদের খাবার দিতেন। আজনবিদের আশ্রয় দিতেন। তিনি শত্রুদের প্রতি দয়াপরবশ ছিলেন। মানুষের কাছে তিনি এত বেশি বিখ্যাত ছিলেন যে, আজও আরবরা তাকে ‘দাতা হাতিম তাঈ’ নামে চেনে। তার ছেলে ‘আদি বিন হাতিম ইসলাম বরণ করেছিলেন। ত িনি ছিলেন প্রসিদ্ধ এক সাহাবি। একদিন নবিজির ﷺ কাছে তিনি তার বাবার ব্যাপারে শুধালেন, “আল্লাহর রাসূল, আমার বাবা আত্মীয়স্বজনদের সাথে সদাচরণ করতেন, গরিবদের খাওয়াতেন, তিনি অমুকটা করতেন, তমুকটা করতেন...” এভাবে তিনি তার বাবার অনেক অনেক ভালো কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরে বললেন, “...তিনি কি এগুলোর জন্য পুরস্কার পাবেন?” আল্লাহর রাসূল ﷺ উত্তরে বললেন, “‘আদি, তোমার বাবা কিছু একটা চেয়েছিলেন [মানে খ্যাতি], তিনি সেটা পেয়েছেন।” [আহমাদ তার মুসনাদে বর্ণনা করেছেন এটি] যতবার কোনো বিখ্যাত লোক মারা যান, ঘুরেফিরে মুসলিমদের মাঝে এই একই প্রশ্ন আর মনোভাব ঘুরপাক খেতে থাকে। অথচ এ প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দেওয়া আছে আমাদের কুরআন-সুন্নাহর ভাষ্যে। একজন মান...
১) কিছু জিনিস ক্লিয়ার করা দরকার মনে হচ্ছে। মুসলিম হিসেবে আমি আমার ইলাহকে আল্লাহ বলে ডাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কেননা আমার ধর্মগ্রন্থ কুর'আনে বার বার আল্লাহর নাম আছে; আল্লাহর নিরান্নবইটা সুন্দর সুন্দর নাম আছে। এগুলো ছেড়ে কেন আমি/আমরা GOD বলে ডাকতে যাব এটাই আমার মাথায় আসে না! যেখানে এই GOD নামের কোন অস্তিত্ব আমার ধর্মে নাই সেখানে মুসলিমরা কেন ডাকবে তাদের ইলাহকে অন্য নামে?  ২) হকিংস একজন নাস্তিক ছিল; সে বলেছে সে GOD এ বিশ্বাস করে না। ফাইন। এখানে আমার কোন মাথাব্যথা নাই। সে তার বিশ্বাস নিয়েই মরেছে। তারপরেও যখন অনেকে Rest in Peace লিখছে। এখানেই বিষয়টা হাস্যকর হয়ে গেছে। আজ হকিংস বেঁচে থাকলে তাদের জুতা খুলে মোজা দিয়ে পিটাতো!

আল্লাহ না করুন যদি আমি আগামীকাল মারা যাই ....

(একটা ট্রেন্ড ভাইরাল হয়েছে, ভালো জিনিস তাই আমিও বলছি)  আল্লাহ না করুন যদি আমি আগামীকাল মারা যাই .... যেসব জিনিস করবেন এবং কখনোই করবেন না- ১) আমার ছবি ব্যবহার করে RIP ওয়ার্ড ইউজ করে কোন পোস্টার বানাবেন না। আমি এমন কেউ নই যে এসব করতে হবে। আপনাদের দু'আয় আমাকে শুধু রাখলেই চলবে। ২) ফেইসবুকে একটা সিস্টেম আছে যা আমি অনেক আগেই সেট করে রেখেছি। আমি মারা গেলে একমাত্র আমার একজন ক্লোজ ফ্রেন্ড এই আইডি ডিলিট অথবা মেমরালাইজ করে দিতে পারবে। আপনাদের অনুরোধ করব, আমার দৃশ্যমান পোস্টে অথবা ছবিতে দয়া করে ভিড় করবেন না। ৩) ফেইসবুক ছাড়াও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিচরণ রয়েছে। সেসবের আলামত যদি প্রকাশ পেয়ে যায়, দয়া করে ছড়াবেন না। রিপোর্ট করে বন্ধ করে দিবেন। ৪) আমি এমন কাজ করেছি/করছি যা হয়তোবা আমার ধর্মের বিপরীতে এসব আলামত দৃশ্যমান হলে দয়া করে কেউ স্ক্রিনশট নেবেন না; ছড়াবেন না। আপনি যদি আমার শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকেন তাহলে আমার গুনাহ বাড়াতে সহায়তা করবেন না আশা করছি। ৫) অনেকের সাথেই অনেক কিছু নিয়ে চ্যাট হয়। চ্যাটের স্ক্রিনশটগুলো দয়া করে ছড়াবেন না। ৬) আমি হয়তোবা অজ্ঞানে/সজ্ঞানে অনেকক...

বাংলাদেশের জন্য এক কালো দিন!

ছবি
একই দিনে দুটি শোক সংবাদ -- মিরপুরে বস্তিতে আগুন, সব পুড়ে ছারখার আর কাঠমান্ডুতে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স বিধস্ত; নিহত ৪৫ বাকিরা আহত ও নিখোজ।   Bangladeshi plane crashes in Nepal, killing at least 49 Link: https://www.reuters.com/article/us-nepal-crash/bangladeshi-plane-crashes-in-nepal-killing-at-least-49-idUSKCN1GO0WP আজকের নেপালগামী ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সে আমার ও আমার পরিবারের পরিচিত ৭ জন যাত্রী ছিলেন যাদের মধ্যে সবাই নিহত ও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ  :(  সকালে হোমপেইজে এক পরিচিত দম্পতির সেলফি দেখেছিলাম জানতাম না যে ওরা কোথায় যাচ্ছে; হানিমুনে যাচ্ছে এটাই শুধু জানতাম। এখন ওদের আইডি চেক করে দেখলাম ওরা ওই প্লেনেই কাঠমান্ডু যাচ্ছিল  :(  আরেকজন আমার বয়সী আমার ছোট বোনের বান্ধবীর বড় ভাই। রিসেন্টলি অনেক ফ্রেন্ড ঘুরতে গেছে। জানি না আরও অনেক পরিচিত আছে কিনা  :(  খুবই খারাপ লাগছে আর এই কাপলের ছবি চোখে ভাসছে। ইস ওরা যদি জানত ওরা কখনোই যেত না। দেশেই কোথাও হানিমুনটা সেরে নিত  :(  মৃত্যুই ওদের বাংলাদেশ থেকে টেনে নিয়ে গেল কাঠমান্ডুতে।   A deta...

ক্রিকেট এখন ন্যাশনালিজমের সিম্বল

নোয়াম চমস্কি বলেছিলেন, “হাইস্কুলে পড়ার সময় মনে হয়েছে, এই যে হাইস্কুল টিমকে আমি সাপোর্ট করছি, কেন? আমি তো এই টিমের কাউকেই চিনি না, অথচ ঠিকই চিৎকার করে গলা ফাটিয়ে ফেলছি। হোয়াই ডু আই কেয়ার? চমস্কি বলছেন, এই সাপোর্টের মধ্য দিয়ে এক ধরনের “ইর‍্যাশনাল রিলেশনশীপ” (অযৌক্তিক সম্পর্ক) এর জন্ম হয়, যা মূলত আমাদেরকে কর্তৃত্বপরায়ণবাদীতার কাছে আত্মসমর্পণ শিখায়, অথোরিটেরিয়ানের (স্বৈরাচারী) অনুগত করে।  চমস্কি আরো বলছেন, দেখবেন সবাই খেলা নিয়ে কেমন এক্সপার্ট মত দিচ্ছে। কী করতে হবে বয়ান দিচ্ছে। এমনকি এক্সপার্টদের সাথে বিতর্ক কছে। তার মানে, তারা খেলা নিয়ে ভাবে। গভীরভাবে চিন্তা করে। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয় নিয়েও এনালাইসিস দাঁড় করায়।  কিন্তু তারা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে মোটেও আগ্রহী না, যদিও সেটা তাদের জীবনযাত্রাকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে। কারণ, এই খেলা নিয়ে মেতে থাকাটা পলিটিক্যালি কারেক্ট (রাজনৈতিকভাবে নির্ভূল)। নির্ভেজাল এবং নির্ঝঞ্ঝাট বিনোদন। কিন্তু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণগুলো এই রকমের নির্বিষ না।  এগুলা নিয়ে চিন্তা করলে তাই “চাকরি থাকবে না”। চমস্কি তাই বলছেন, বিংশ ...
"পৃথিবীজুড়ে যখন ডাইনোসরের রাজত্ব তার কোনো এক পর্যায়ে ‘নেংটি ইঁদুরের মতো’ স্তন্যপায়ী প্রাণীর জন্ম হয়েছে। ৬৫ মিলিওন বছর আগে গ্রহাণুর আঘাতে ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়ে গেলে খোয়াড় ছেড়ে বেরিয়ে আসে এই নেংটি ইঁদুরের মতো প্রজাতি। এই ছোট ইঁদুরের মতো স্তন্যপায়ী প্রাণীগুলোই হচ্ছে আমাদের পূর্বপুরুষ!” -- ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল*  "...যিনি তোমাদের এক আত্মা (আদাম) থেকে সৃষ্টি করেছেন, এরপর তার থেকে সৃষ্টি করেছেন তার সঙ্গিনীকে। এই দম্পত্তি থেকে দিকদিগন্তে ছড়িয়ে দিয়েছেন অসংখ্য নর-নারী..." - আল্লাহ সুব হানু ওয়া তা'আলা**  রেফারেন্সঃ * বিগ ব্যাং থেকে হোমো সেপিয়েন্স - জাফর ইকবাল ** আল কুর'আন সুরা আন নিসা আয়াত ১ এর অংশবিশেষ - আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা'আলা 

মাঝামাঝি ম্যারেজ

আজকাল নতুন এক চল শুরু হয়েছে। মা-বাবার পছন্দের পাত্র ঠিক হবার পরে আংটি বদল হয়। তারপর মেয়েটিকে বলা হয় ৬ মাস বা তার বেশি সময় বাগদত্তার সাথে মেলামেশা করতে। এর পরে যদি সব 'ওকে' থাকে তাহলে ছেলেমেয়ের বিয়ে হয়। নতুবা নয়।  আমার প্রশ্ন হল, এটাকে এরেঞ্জ ম্যারেজ কীভাবে বলে? এমন তো না যে আংটি বদল মানেই আকদ হয়ে গেছে! দে বিহেইভ লাইক আ বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড! লাভ আর এরেঞ্জ ম্যারেজের ঠিক মাঝামাঝি কিছু একটা বানানো হল মনে হচ্ছে! যাই হোক, যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার! আমি তুমি কে? 
পশ্চিমি সেকুলার রাষ্ট্রগুলোর মতে, ধর্মীয় প্রতীক জনপরিসরে নিষিদ্ধ করতে হবে। কিন্তু এখানে রাষ্ট্রকে আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন কোন বস্ত্র, অলঙ্কাার কিংবা বস্তুকে তারা ধর্মীয় প্রতীক মনে করে। ইউরোপিয়ান কয়েকটি দেশে সম্প্রতি হিজাব নিয়ে ওঠা বিতর্ক ওই প্রশ্নটিকে আরো উসকে দেয়। সেকুলার বুদ্ধিজীবীদের দাবি, যেহেতু হিজাব একটি ধর্মীয় প্রতীক সেহেতু মুসলিম নারীদের এটা ‘পাবলিক প্লেস’ বা জনপরিসরে পরা উচিত নয়। রাষ্ট্রীয় অফিস-আদালতেও হিজাব নিষিদ্ধের দাবি করেন তারা। কিন্তু হিজাব যে একটি ধর্মীয় প্রতীক বা চিহ্ন এর যৌক্তিক ভিত্তি কী? যখন কোনাে নির্দিষ্ট ব্যক্তি অথবা জনসাধারণের একটি অংশ প্রতীক বা চিহ্নের ইতিহাস সম্পর্কে অবগত থাকে তখনই শুধু কোনো বস্তুর প্রতীক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে ওই নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর কাছে। হিজাবের ‘সিম্বলিক ফাংশন’ শুধু তাদের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ যারা এটাকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবহার করে। ওই ‘সিম্বলিক ফাংশন’ সবার কাছে এক নয়। হিজাবের ফ্যাশনকে যারা বাণিজ্যিকীকরণ করছে তাদের কাছে এটার কোনো ধর্মীয় তাৎপর্য নেই। তাই বলা যায়, ইসলামের অনুসারী যারা হিজাব ধর্মীয় কারণে পরেন তাদের কাছেই শুধু হিজাব একটি...

বাপদাদার ক্রেডিট

ধর্মটা আমরা পেয়েছি বাপদাদার মাধ্যমে। আপনি মুসলিম ঘরে জন্ম নিয়েছেন বলেই আজ মুসলিম। হিন্দুর ঘরে জন্ম নিলে হতেন হিন্দু। তাই এতে Proud to be a Muslim বলার কোনো স্কোপ নাই। এর চেয়ে বলেন Grateful to be a Muslim. একজন রিভার্টেড মুসলিম আমাদের মত বাপদাদার বলে সম্পত্তি পায়নি, ওরা আসলেই গ্রেটফুল আর অযথা লাফালাফি করেনা।  ঠিক তেমনি আমাদের দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের কতিপয় পুত্র, নাতিকে দেখলে, তাদের কথা শুনলে মনে হয় তারাই যুদ্ধ করেছে। কিন্তু সব ক্রেডিট হল বাপদাদার। তারাই যতসব কোটা আর সুবিধা  পাবার যোগ্য। তারাই যুদ্ধ করেছে দেশ স্বাধীন করেছে। এসব লাফানো ছেলেপেলে নাতিদের কাজকর্ম এর সাথে নামকাওয়াস্তে ধর্ম পাওয়া অন্ধদের আস্ফালনের মিল পাই।
জনসম্মুখে কোন বক্তৃতা দেবার আগের দিন আমি সাধারণত আমার মায়ের সামনে একবার অনুশীলন করে নিই। তিনি আমার ভুলত্রুটিসমূহ শুধরে দেন। আমার মায়ের চোখে আমি একজন বাজে বক্তা, যে কিনা এখনো অনর্গল ইংরেজি বলা রপ্ত কর‍তে পারেনি। আমি মা'কে এটা বলে স্বান্তনা দিই যে 'আমি তো বাঙ্গালি; ব্রিটিশ নই। চালিয়ে দেবার মত ইংরেজি পারলেই হল। আর তুমি যদি দেখতে আমার চেয়েও বাজে বক্তা দুনিয়াতে আছে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ বলতে। এটাকে অহমিকা বলে না। এটা হল আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন। নিকৃষ্টতর তো হতে পারতাম তাই না?'    . আমরা নিজ নিজ অবস্থা হতে যদি নিজেদের উপর সন্তুষ্ট থাকি; আশা করি ঈর্ষা, দম্ভের মত খারাপ ব্যাপারগুলো আমাদের মাঝে হতে চলে যাবে। আর সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামতের ব্যাপারে কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন তো অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। 

অগোছালো - ১

কখনো কখনো লেখার মত কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না। যেমন আজ কিছুই মাথায় আসছে না। কী লিখব? নাম দিয়েছি রোজনামচা। রোজ তো লিখতে হবে তাই না? তো পেছনের গল্প বলি। আজকের গল্প নেই। গেল ফেব্রুয়ারির সাতাশতম দিনটি আমার মোটেও ভালো যায়নি। পরীক্ষাহলের পরিদর্শক আমার খাতার বারোটা বাজিয়ে নিয়ে গেছেন টেনে। এমনটা কখনই হয়নি জীবনে। যাই হোক, এবার ব্যাটে বলে কিছুই মিলছে না। এবার রেজাল্ট যে কী হবে জানি না। পিজিসিবিতে এই নিয়ে ৩য়বার পরীক্ষা দিলাম। মনঃপুত হল না। নাহ, এবারো হবে না। গাঁটছড়া বেধে বসলাম। নিজের বিষয়ের পড়ালেখা করা শুরু করব। আজ ৪ দিন কেটে গেল। ইচ্ছেটা কাগজে লেখা প্ল্যানেই আটকে আছে। প্রতিযোগিতাগুলো হাতের কাছে দিয়ে চলে যায়। কিছুই করতে পারি না। তাই এবার ভাবলাম নিজেদের মধ্যেই করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সমাজের সচিব পদে যোগদানে মনোনীত হলাম। সাথে একজন উপসচিব নিলাম। মহিলা এবং বিবাহিত। আল্লাহ জানেন কপালে কী আছে! কারণ, আমি যেভাবে একের পর এক চাপ নিজের কাঁধে নিচ্ছি তাতে করে কিছুদিন পরে নড়তে পারব কিনা সন্দেহ আছে।     

গুণীর কদর!

আমার প্রফেসর জামাল নজরুল স্যারকে এজন্যই অনেক ভালো লাগে। উনি সব ছেড়েছুড়ে দেশে চলে এসেছিলেন। প্রচণ্ড প্রচারবিমুখ ছিলেন। বাইরে যে পরিমাণ মানুষ জানত তাঁকে; দেশে বলতে গেলে কেউই চিনতো না। তাঁর পরেও তিনি আমাদের দেশে যে পরিমাণ অবদান রেখে গেছেন সেটা একমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জানে। কাজ করতে হয় চুপেচাপে। এত লোক দেখিয়ে বাংলাদেশে আগে কিছুই হয়নি আর হবেও না; কেননা মানুষ গুণীর কদর দিতে জানেনা। মরলে ঠিকই হুশ ফিরে।  এই লেখার মোটিভ হল মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার। তাঁর উপর আজ হামলা হয়েছে। হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে। স্যার গুরুতর আহত। সিলেট ওসমানী মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসায় কাজ হয়নি বলে ঢাকায় আনা হচ্ছে শেষ খবরে শুনলাম।   সময় টিভির লাইভ দেখছিলাম। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের মুখে উল্লাস। তাঁকে 'নাস্তিক' আখ্যা দিয়েছে কেউ কেউ। আমি মানুষ জাফর ইকবাল কেমন সেই বিচারে যাব না। মানুষ বিচার করার যোগ্যতা আমার নাই। লেখক জাফর ইকবালের লেখা আমি পড়েছি। স্কুলে একবার স্যারের বই পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছিলাম। তাঁর বড় ভাই হুমায়ুন আহমেদের গল্প পড়ে আমি পরে গল্প লেখায় অনুপ্রেরণা পেতাম। জাফর স্যারের এর লেখা আমায় ততটা টা...

A letter of a corrupted soul

ছবি
(1) It's 3rd March guys! And most of us forget what happened on this day! Shame! Only 6 years left to make a century! (2) আজকাল অনেকেই মনে করেন মুসলিমদের এই করুণ অবস্থার পেছনে তাদের দূরদর্শিতার অভাব জড়িত। মুসলিমগণ নাকি বিজ্ঞান চর্চা করতে ভয় পান। অনেকের মতে, মুসলিমরা এখনো ঢালতলোয়ারের যুগেই পড়ে আছে। একমাত্র বিজ্ঞান-ই পারে আমাদের এই দূরবস্থা কাটাতে। And I disagree with them! রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এবং তাঁর পরবর্তী উমার (রাঃ) এর খিলাফতের সময়ের ইতিহাস যদি দেখি আমরা কী করেছি! কী করি নাই! ইরাক থেকে স্পেন পর্যন্ত ইসলামের ছায়াতলে চলে এসেছিল। সেসময়ের পরাশক্তি রোমান আর পারসানদের হারিয়েই কিন্তু এই বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল। আল খোয়ারজমি, হাসান ইবনে হাইসামের বিজ্ঞান চর্চা মুসলিমদের এই বিশাল ভূখণ্ড জয়ে কোন অবদান রাখেনি। তাঁদের বহু আগেই জাবাল আল তারিক (জিব্রালটার) পর্যন্ত আমরা জয় করে ফেলেছিলাম। মুসলিমদের আধিপত্য বিরাজে বিজ্ঞানের অবদান তাই নেই বললেই চলে। বর্তমানে এমন আধিপত্য বিরাজ করা আমাদের বর্তমান মুসলিমদের জন্য এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। এর কারণের পেছনে বিজ্ঞান জড়িত নয়। আমি মনে করি - ১)...

মুসলিমরা পৃথিবী জয় করেছিল .............

''মুসলিমরা পৃথিবী জয় করেছিল উমার রাঃ এর ন্যায়পরায়ণতা ,মুআজ রাঃ এর ফিকহ, আবু হুরায়রা রাঃ এর হাদিস,আবি যার রাঃ এর যুহুদ(দুনিয়া বিমুখীতা) ও খালিদ বিন ওয়ালিদ রাঃ এর সাহস,সংগ্রাম,জিহাদ দ্বারা। তাঁরা ইবনে সীনার অবদান,আর রাজির বুদ্ধি, বিচক্ষণতা,হাইসামের অপটিক লেন্স বা আল ফারাবীর বাদ্যযন্ত্র দিয়ে পৃথিবী জয় করে নাই।'' -- শাইখ নাসির আল ফাহাদ (হাফিযাহুল্লাহ) (ভাবানুবাদ)