পোস্টগুলি

2016 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তনু হত্যার সুবিচার চাই

আমার মতে, প্রমাণিত হত্যাকারী/দেরকে পাথর মারতে মারতে জনসম্মুখে হত্যা করা উচিত। এটা পড়ার পর কেউ আমাকে আবার মধ্যযুগীয় বর্বর বইলেন না। ১৪০০ বছর আগের নিয়ম হলেও ভাই, এটাই আসলে হওয়া উচিত। জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে হত্যাকারীদের ফাঁসি দিলে কেউ দেখেও না; মনেও রাখে না। আপনি যদি প্রকাশ্যে সাজা দেন, তাহলে এই ধরণের হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটাতে নিকট ভবিষ্যতে হত্যাকারীদের দুইবার চিন্তা করতে হবে। . হ্যাঁ আমি তনুর হত্যাকারীদের ব্যাপারে বলছি। সেই সাথে ঘটমান জান্নাত আক্তার শিল্পির হত্যাকারী শাহবাগে আন্দোলনের সাথে জড়িত কন্ঠশিল্পী কৃষ্ণকলির স্বামী খালিকুর রহমান অর্ক-র (বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে) কথাও বলছি। সেই সাথে ভবিষ্যতের হত্যাকারীদের কথা মাথায় রেখে এই প্রস্তাবনা রাখছি। একটা জিনিস হয়তোবা খেয়াল করেছেন, আমি কিন্তু একবারও ধর্ষণের কথা বলিনি। কারণ, সবাই রেইপড রেইপড করছে!! আরে ভাই! তনু ওয়াজ মার্ডারড আফটার শি গট রেইপড! আর রেইপড জিনিসটা বাংলাদেশে প্রত্যেকটাদিন হচ্ছে- অনেক আই ক্যাচিং একটা জিনিস। খবরের পাতা উল্টালেই ধর্ষণের খবর মেলে; কত যে পরিবার সাফারার হচ্ছে হররোজ তার ইয়ত্তা নাই। তাই আসুন এটাকে রেইপড কেইসের চেয়ে মার্ডার ক...

দুঃসাহসী বাঙালী রকিবুল হাসান

"আইয়ুব খান মেড আ মিসটেক, হি শুড কিলড দ্য ----- মুজিব।"  কথাটা বলার পর এক সেকেন্ড দেরি হলো না। রকিবুল হাসানের প্রচন্ড ঘুষি খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো কামরান রশীদ। তারপর ভয়ংকর পিটুনি। পেটাতে পেটাতে কামরান কে টিলার নিচে নিয়ে এলেন রকিবুল হাসান, হাতের কাছে যা পেলেন, তাই দিয়ে চললো আঘাতের পর আঘাত। অবশেষে, রক্তাত্ত কামরান জীবন ভিক্ষা চেয়ে রকিবুলের হাত থেকে বেঁচে যান। সময়টা ১৯৭০ । এই বাংলার সন্তান, বাঙালীর সন্তান ১৮ বছরের টগবগে যুবক, ক্রিকেটার রকিবুল হাসান। করাচীতে পাকিস্তান অনুর্ধ - ২৫ দলের ক্যাম্পে তখন। ক্যাম্পের সেই সন্ধ্যায় আড্ডা চলছিল। পাকিস্তানের রাজনীতি তখন উত্তাল। ক্রিকেটারদের সেই আড্ডায় চলে আসে রাজনীতি। বাঁহাতি স্পিনার পেশোয়ারের কামরান রশীদ যখন বলে উঠে, - আইয়ুব খান মেড আ মিসটেক, হি শুড কিলড দ্য মুজিব। তখন খোদ পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে এই দুঃসাহসী প্রতিবাদের ঘটনা ঘটিয়ে দেন বাঙালী যুবক রকিবুল হাসান করাচিতে বসে একজন বাঙালির এই রুদ্রমূর্তি দেখে যেন বিস্ময়ে, আতংকে পাথর হয়ে রইলো পাকিস্তানে ক্রিকেটাররা। পরদিন কোর্ট মার্শালে ডাক পড়ল রকিবুল হাসানের। মেজর সুজা জিঞ্জাসা করলেন...

Rich Dad Poor Dad

মাল্টি ন্যাশনালে ভালো একটা চাকরি পাইলে, মাসে মাসে ৬০ হাজার করে বেতন দিলে, বছরে ৭ লক্ষ বিশ হাজার টাকা। মনে মনে পুলকিত হইতে হইতে ভাবলেন যে, ধনী হয়ে যাবেন। না, এই  ধারণাটা ভুল। দুই/তিন মাস যাইতে না যাইতেই দেখবেন বেকার থাকা অবস্থায় যে পরিমাণ অর্থ কষ্টে ছিলেন মাসের শেষ ১০ দিন মোটামুটি একই পরিমাণ অর্থকষ্টে চলে। বছরের অর্ধেক পার হইলে ভাববেন নেক্সট বছরে স্যালারী বাড়লে, বোনাস পাইলে এই অবস্থা আর থাকবে না। এইটাও ভুল। এক মাস না যেতেই দেখবেন যেই লাউ সেই কদু। তাইলে সমস্যাটা কোথায়? সমস্যা হচ্ছে, টাকা পাওয়ার আগেই খরচ রেডি। পুরাণ ১২ হাজার টাকার বাসাই আর থাকা যাচ্ছে না। মেইন রোডের কাছাকাছি ১৯ হাজার টাকার দুই বেড রুম ওয়ালা বাসা লাগবে। সিএনজি পাইতে অনেক কষ্ট হয়। গাড়ির জন্য প্রায় সব ব্যাংকই তো লোণ দেয়। লোণ নিয়ে কত্ত কত্ত আরামসে অফিস চলে যাওয়া যাবে, কোন টেনশন নাই। আমাদের সমস্যা হচ্ছে, আমরা লোণ নিয়ে গাড়ি কিনে অফিসে যাই। আবার অফিসে যাই যাতে বেতন পেয়ে লোণের টাকা শোধ করতে পারি। আপনি ৬০,০০০ টাকা বেতন পাওয়ার পর মাস শেষে যদি ৫৯,০০০ হাজার টাকা নাই হয়ে যায়, তাইলে আপনি মাসে মাসে ৬০,০০০ টাকা কামাচ্ছেন ন...