বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি
বাংলাদেশের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ২৯০ ইউএস ডলার। বেশি ঋণ দেয় চীন। ২০৩০ নাগাদ চীন-ই হবে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। রোহিঙ্গা সংকটে এই চীন-ই মিয়ানমারকে সাপোর্ট দিচ্ছে। তমব্রু লেইকে মিয়ানমার ব্রিজ বানাতে চাচ্ছে এখানেও বোধ হচ্ছে চীনের হাত আছে। চীন চাচ্ছে মিয়ানমারের সাথে কিছু হোক। তারপর সে আরও ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিক। অন্যদিকে জাপান আমাদের নতুন প্রস্তাবিত ৮৮টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী দেশ। জাপান স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। ২০১০ এর পর জাপানে ৩ জন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছে শুধুমাত্র ওদের সংবিধান-এ 'যুদ্ধ' যুক্ত করার জন্য। সম্প্রতি জাপান ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম বহুদেশীয় সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারের একটা বড় অংশ হল যুক্তরাষ্ট্র। চলমান স্নায়ু যুদ্ধের পরিণতি যদি অদূর ভবিষ্যতে হয় আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ এবং চীন ও জাপান একে অপরের বিপক্ষে থাকে তাহলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কি হবে সেটাই ভাববার বিষয়।