রাতে কেন যেন সেনানিবাস এলাকায় খালি রিক্সা পাওয়া যায় না। আজ অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর একজন মিলল। 'মামা ১২ যাবে?' 'না মামা যাব না ওইদিক রাস্তা ভাঙ্গা।' 'চল না, না হলে পুরো রাস্তা হাটতে হবে' বুঝলাম রিক্সাওয়ালা কোন এক কারনে রেগে আছে। আমার অনেক অনুনয়-বিনয়ের পর সে রাজি হল। রিক্সায় উঠে থ্যানক্স দিলাম কেননা সে-ই আমার একমাত্র সম্বল না হলে এই ক্লান্ত শরীরটাকে টানতে হত ১২ পর্যন্ত। ভালো ব্যবহার পেয়ে আমার কাছে নিজের দুঃখের কথা শেয়ার করা শুরু করল সে। 'আপনারে না পাইলে সোজা আলোকদি চইলা যাইতাম' 'এক কর্ণেলের মাইয়ারে উঠাইসিলাম, সরকারবাড়ি থিকা। সে আমারে ভারা দিসে বিশ টিয়া। এখন মামা কন এত দূর আইলাম টিয়া পামু পঞ্চাশ পাইলাম বিশ' 'বড় লোকের মাইয়াপুলার এই এক অবস্থা, তাগো টিয়া আসে, দিবার চায় না।' আমিও তাল মিলালাম 'তোমার সাথে তো কাজটা ঠিক হয়নাই মামা। আমরাই ১২ পর্যন্ত যাই ৩০ দিয়া তো সরকারবাড়ি থিকা তো ৪০ দিবার কথা তোমারে' 'হ মামা। আসলে এরা ভালো পেমেলির মাইয়া না; না হলে এত রাত্রে .... এমনিতে আপানাগো ভারা ২০ টিয়া আমরা নিই ৩০। ২০ দিলে কষ্ট নি না...
পোস্টগুলি
জুলাই, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
আজ সকালটা ছিল অন্যরকম। রাত জেগে এসাইনমেন্ট রেডি করার পরও ইচ্ছে করছিল না ভার্সিটি যাব। এরপরেও মন অনেক শক্ত করে বের হলাম। নিচ তলায় নেমে দেখি গ্যারেজ পুরো ডুবে গেছে। হাঁটু পানি। তার মানে রাস্তায় কোমর পানি। আধা ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ২০ টাকার বিনিময়ে পানি পার হলাম রিকশাতে। সিটের উপর যে অংশটুকু তাতে বসে এক হাতে জুতো জোড়া আরেক হাতে ব্যাগ কোন মতে পার হলাম। ডাঙ্গায় উঠে আবার রিকশায় উঠলাম। ফার্মগেইট পর্যন্ত যেদিকে দু'চোখ যায় শুধু পানি আর পানি। ভার্সিটি বাস মিস করলাম তারপরেও মন শক্ত করে অনেক ঝামেলা পোহানোর পর শেওড়াপাড়ায় এসে বাস ধরতে পারলাম। তখন বাজে সাড়ে ৭ টা। যাক ক্লাস করতে পারব। কিন্তু আগের রাতে করা দু'আটা আল্লাহ কেন জানি পূরণ করে দিলেন 'আল্লাহ কাল যেন ক্লাসে যেতে না হয়!' বাকিটা ইতিহাস। পানির মাঝে সাঁতরে বাস এগুচ্ছিল না। একটি বাসকে উল্টে পড়ে যেতে দেখলাম পানিতে। ভার্সিটিতে যখন পৌঁছুলাম তখন বাজে সাড়ে ৯ টা। খেয়ে দেয়ে ক্লাসে গিয়ে দেখি স্যার নাই। ৪-৫ জন বসে আছে। চেহারা দেখে বুঝাই যাচ্ছে তাদের উপর দিয়েও আজ ঝড় বয়ে গেছে। #এলোলেখা (একটাও ভোট পাবে না এবার এলাকার মহাজনেরা। সবার জন্য নয়নাভিরা...
Tomorrow's OB Presentation!
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Tomorrow I'll have to present an half of a chapter of HRM without knowing ABC of HRM. All I know it's abbreviation only. When going through the reference materials and realized that it is another 'mukhosto' type subject like OB. But OB seemed enjoyable to me because it's attachment to the real life. You know, in masters level you have to earn knowledge on your own even though you haven't come from the business background. When instructors heard that 60% students are from an engineering background in a business class; they feel lost! Because we might know Maslow's need theory but have no concrete idea of it! So, often instructors do 'fakibaji' like students; impose unnecessary cases without giving proper guidelines and students are compelled to do so. Because at the end of the day, we need a degree or a good GPA. Maybe we have the fault in our stars; maybe not! Watching darkness everywhere. #ScatteredThoughts
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
ঘরে বই বেড়ে গেছে তাই আম্মা পরিচিত এক ভদ্রমহিলাকে দেবার জন্য আমার যত বই আছে সব বস্তাবন্দী করেছেন। আজ এক সপ্তাহ হল বস্তাটা মেঝেতে লুটোপুটি খাচ্ছে। প্রথমে দেখতে খুবই খারাপ লাগছিল; কত স্মৃতি বইগুলো নিয়ে। কলেজে আমার প্রিয় টপিক ছিল বলবিদ্যা। গোলাম রহিম কাজির বইটা খতম দিয়েছিলাম মনে পড়ে। বই দুটোও আজ বস্তাবন্দী :( কিন্তু এখন বিরক্ত লাগছে। নেয় না কেন মহিলা! আম্মাকে বলাতে আম্মা বলে, 'সেধে সেধে উপকার করতে গেলে মানুষ গায়ে মাখে না। বই টাকা দিয়ে বেচতাম তাইলে একটা মূল্য থাকত!' কথা সত্য! ফ্রিতে কত কিছু কতজনকে করে দিয়েছি। মনে নিই নাই কিছুই। পরে দেখা যায়, যাদের হেল্প করলাম তারাই কিছু না কিছু খারাপ করে বসে আছে। অথবা একটা সময় পরে ভুলে বসে আছে। বিখ্যাত জোঁকার সাহেব একটা কথা বলেছিলেন এমন- "If you are good at something, never do it for free." (The Dark Knight) #এলোচিন্তা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
মানুষের স্বপ্নগুলো কালের পরিক্রমায় বাস্তবতার ঠ্যালা খেয়ে সময়ে অসময়ে পরিবর্তিত হয়। ছোট বেলায় পড়েছিলাম যার এইম ইন লাইফ নাই তার জীবন নাকি মাঝি বিহীন নৌকোর মত। জীবনের এ পর্যায়ে এসে পিছনে ফিরে তাকালে দেখতে পাই আমার কতই না স্বপ্ন ছিল! সেসব স্বপ্নের কিছুই পূরণ হয়নি। এত এত স্বপ্নের ভিড়ে মাঝেমাঝে মনে হয় আমার জীবনে কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নাই। খুব ছোটবেলায় হতে চেয়েছিলাম পাজেরোর ড্রাইভার :p আরেকটু বড় হয়ে হতে চাইলাম পাইলট; যা কলেজ পর্যন্ত ছিল। এরপর স্বপ্ন দেখতে লাগলাম ফিজিসিস্ট হবো আর হয়ে গেলাম ইঞ্জিনিয়ার :v ইঞ্জিনিয়ারিং জবের ঠ্যালা খেয়ে ভাবলাম অন্ট্রোপ্রনার হবো; এখন করছি এমবিএ। এর পরে আর কী বাকি আছে জানিনা। তবে সময় থেমে নেই। স্বপ্ন একটার পর একটা দেখেই চলেছি; কিন্তু স্থায়িত্বের নাম নেই। জানিনা ভবিষ্যতে কী আছে, তবুও স্বপ্ন দেখতে চাই - পূরণ হোক বা না হোক। কারণ স্বপ্ন ছাড়া এ জীবন কল্পনাতীত। #এলোচিন্তা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
একেকটা ক্লাসের ফাঁকে ৪ ঘণ্টা করে গ্যাপ। শাস্তি পেতে হয় তখনি যখন এই লম্বা সময় কাটিয়ে শুনি পরের ক্লাসটা হবে না :( যে স্যারের দর্শন এখন পাইনি তখন তার উপর ভেতর হতে ক্রোধ অনুভূত হয়। তিনি তো পারতেন একবার আমাদের জানাতে...... ইত্যাকার নানান চিন্তা মাথার আশেপাশে ঘুরার পর যখন শুনি তিনি সত্যি অসুস্থ ছিলেন এবং কথা বলার শক্তিটুকুও তার ছিল না; তখন খারাপ লাগে। অহেতুক একজন অপরিচিত মানুষ সম্পর্কে খারাপ ধারনা পোষণ করলাম। যেটা একেবারেই উচিত হয়নি :( সপ্তাহ ঘুরে আজ আবার সেই দিন। নাহ, আজ হবে। ক্লাস হবে। নতুন শিক্ষক, নতুন বিষয়। দেখা যাক, কতটুকু বোধগম্য ও উপভোগ্য হয় ব্যাপারগুলো! #marketing
কিছু এলো চিন্তার জট
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
১) জীবনের সুখগুলা ডাউনলোড করতে গিয়ে দেখি MB-ই শেষ ... . ২) হরিপদ কাপালী ১৯৯৬ সালে উদ্ভাবন করেন নতুন প্রজাতির এক ধান। তার নামের সঙ্গে মিল রেখেই এ ধানের নামকরণ করা হয় ‘হরিধান’। হরিধান একটি বিশেষ জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান। এ আবিষ্কারের সূত্র ধরে সারাদেশে ছড়িয়ে পরে তার নাম। তিনি কৃষিতে পেয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের পুরস্কার ও সম্মাননা। ৩) আজ সকালের ছবি। প্রবল বর্ষণে গ্রিনরোড হাটু পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক কষ্ট করে দ্বিগুণ টাকা খরচ করে ভার্সিটি গেলাম। আজ এমআইএসটিতে পড়লে ক্লাসটা মিস দিতাম। ভাবছি, সিআর হতে রিজাইন দিব :/ এভাবে আজাইরা প্যাড়া নেবার মানে নাই! ৪) Ah! I wish I would have a direct mentor like him. A complete unknown topic like Marketing Management to me, now it seems interesting because of his innovative teaching method and presentation to students. It would be far more better if these learnings are based on Bangladeshi perspective :) Haydan Noel - Assistant Clinical Professor, Dept. of Business Administration, College of Business. University of Illinois at Urbana-Champai...
বিসিএস নিয়ে এত মাতামাতির কিছু নাই
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
বিসিএস নিয়ে এত মাতামাতির কিছু নাই। অনেকেই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়াররা কেন বিসিএসে চলে যাচ্ছে দেখে হা-হুতাশ করতেসেন। অনেকে বলতেসেন, বিসিএস কেন দিব? এর চেয়ে আর্টস পড়তাম হুদাই কি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়সি? :/ ভাই! ইঞ্জিনিয়ারগুলা হুদাই বিসিএসের দিকে যাচ্ছেনা। দেশে প্রতিবছর যে হারে ইঞ্জিনিয়ার বাইর হচ্ছে সে হারে জব ফিল্ড ক্রিয়েট হচ্ছে না। একটা ছেলে ৪ বছর পড়ার পর যদি তারে ১৫০০০ টাকার জব ধরায় দেয় যার নাই কোন ওয়ারেন্টি। তখন সে কেনই বা বিসিএস দিবে না? যেটায় একটু হইলেও সোশ্যাল স্ট্যাটাস আছে, পাওয়ার আছে, লোকে সম্মান করে। তখন বিসিএসের প্যারাকেও তার কাছে মধু লাগে। বিসিএসে হিউজ প্যারা আছে! যারা A to Z প্রেপ নিয়ে এক্সাম দিসেন তারা খালি জানেন এটা। যারা ভাবে বিসিএস খালি মুখুস্তের জিনিস, তারাই খালি এটার বিরুদ্ধে কথা বলে। বাট দিনশেষে ঐ লোকগুলারেই আফসোস করতে দেখবেন, বলবে কেন যে বিসিএস দিলাম না! আমি বিসিএস নিয়ে লেখাপড়া শুরু করসি ২০১৫ সাল থেকে। যখন লাস্ট ইয়ারে তখন দেখসি রুমমেটকে পড়তে, বন্ধুদের পড়তে। সেই রুমমেট এখন বিসিএস ক্যাডার পুলিশ, সেই বন্ধু এখন বিসিএস এডমিন ক্যাডার। আমার কাছে মনে হইছে তারা দূরদর্শি...
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জগদ্বিখ্যাত ফুটবল খেলোয়াড়। তাকে নিয়ে এখন মেতে আছে পুরো বিশ্ব। মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করছে তার যত খবর। আমাদের আশেপাশে তার এমন সব ভক্ত আছে যারা কিনা সে যে শ্যাম্পু ইউজ করে সেটা ইউজ করে; সে কোন বডি স্প্রে ইউজ করে; সে কিভাবে ওয়ার্কআউট করে -- সব কিছু ফলো করে। মোদ্দা কথা, তাকে দেবতার মত মানে। তার সাথে একটা সেলফি তুলতে পারলে হয়ে যায় তাদের জীবন সার্থক। ফেইসবুক জুড়ে এখন একটাই ছবি। রোনালদোর কোলে দু'দুটো বাচ্চা। বাহ! সবাই লাভ রিয়েক্ট দিয়ে শেয়ার করছে ছবিটা। কী কিউট! কিন্তু বাচ্চাদের মা কই? এইতো কিছুদিন আগেও এই ফেইমাস প্লেয়ারের আরেক ছেলেকে দেখেছিলাম। সে ছিল তার আগের গার্লফ্রেন্ডের ঘরের সন্তান। ওল্ড ইংলিশ পিরিয়ডে রাজাগণ যখন নিজের সংসার, বউ ফেলে ব্রোথেলে গিয়ে সময় কাটিয়ে সেখানেও বীজ রোপণ করে দিয়ে আসতেন। আর এরপর যে চারাটা হত তাকে আদর করে ডাকা হত - বাস্টার্ড। আমাদের কিংয়ের ক'জন বাস্টার্ড তার ইয়ত্তা নাই। এমনকি এই যে দুই বাচ্চা তাদের বায়োলজিক্যাল মাদার কে রোনালদো এটা কেন জানায় না বিশ্বকে? কেন? কারণ একটাই ভয়- তার যশ, প্রতিপত্তি, ক্যারিয়ার। তার মানে এই দুই ...