আজ সকালটা ছিল অন্যরকম। রাত জেগে এসাইনমেন্ট রেডি করার পরও ইচ্ছে করছিল না ভার্সিটি যাব। এরপরেও মন অনেক শক্ত করে বের হলাম। নিচ তলায় নেমে দেখি গ্যারেজ পুরো ডুবে গেছে। হাঁটু পানি। তার মানে রাস্তায় কোমর পানি। আধা ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ২০ টাকার বিনিময়ে পানি পার হলাম রিকশাতে। সিটের উপর যে অংশটুকু তাতে বসে এক হাতে জুতো জোড়া আরেক হাতে ব্যাগ কোন মতে পার হলাম। ডাঙ্গায় উঠে আবার রিকশায় উঠলাম। ফার্মগেইট পর্যন্ত যেদিকে দু'চোখ যায় শুধু পানি আর পানি। ভার্সিটি বাস মিস করলাম তারপরেও মন শক্ত করে অনেক ঝামেলা পোহানোর পর শেওড়াপাড়ায় এসে বাস ধরতে পারলাম। তখন বাজে সাড়ে ৭ টা। যাক ক্লাস করতে পারব। 

কিন্তু আগের রাতে করা দু'আটা আল্লাহ কেন জানি পূরণ করে দিলেন 'আল্লাহ কাল যেন ক্লাসে যেতে না হয়!' বাকিটা ইতিহাস। পানির মাঝে সাঁতরে বাস এগুচ্ছিল না। একটি বাসকে উল্টে পড়ে যেতে দেখলাম পানিতে। ভার্সিটিতে যখন পৌঁছুলাম তখন বাজে সাড়ে ৯ টা। খেয়ে দেয়ে ক্লাসে গিয়ে দেখি স্যার নাই। ৪-৫ জন বসে আছে। চেহারা দেখে বুঝাই যাচ্ছে তাদের উপর দিয়েও আজ ঝড় বয়ে গেছে।

#এলোলেখা

(একটাও ভোট পাবে না এবার এলাকার মহাজনেরা। সবার জন্য নয়নাভিরাম হলেও হাতিরঝিল আমাদের জন্য অভিশাপ)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি