পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মুখোশ!

বিবিধ অনুষ্ঠানে মেয়ে, আর ফেসবুক ওয়ালের ছেলে দেখে বিবাহে আগ্রহী হওয়া উচিত না। এর একটাও মুখ না, মুখোশ! - নাহিদ ভাই

ভালোবাসা!

ছবি
ইন্সটাগ্রামে লাইকের কোন অপশন নাই; সব ভালোবাসার চিহ্ন। বেশ প্রবলেমেটিক এটা! ফেইসবুকে যেমন- ইচ্ছে করলেই সব ছবিতে ভালোবাসা দেখানো যায় না তখন সিদ্ধান্ত নিতে হয় কী করা যায়! এটলিস্ট অবাক তো হওয়া যায়। ইন্সটাগ্রামে এসবের বালাই নাই। সৌন্দর্যের তারিফ করতে হলে আপনাকে ভালোবাসা প্রকাশ করতেই হবে; কোন লুকোছাপা নাই  😜   😎

ফেইক আইডি

মেয়েদের নামে সর্বপ্রথম ফেইক আইডি খোলার প্রচলন করেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত। তাদের ফেইক আইডিগুলোর নাম: 'অনীলা দেবী' - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'নীহারিকা দেবী' - অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত  তারও আগে Mary Ann Evans ছেলেদের নামে ফেক আইডি খুলেন। তার আই ডি র নাম ছিল George Eliot। 

কী যে ছন্দ, বৈকুণ্ঠ মল্লিক ফেইল!

ছবি

Missing Job Life!

ছবি
আজ এক ভাই বললেন তিনি মতিঝিল থেকে হেঁটে কারওয়ানবাজার এসেছেন। মারাত্মক জ্যাম। উনার কথা শুনেই নিজের কথা মনে পড়ে গেল।  . জ্যামে বাসের সিটে ঝিমানোর মত পাবলিক ছিলাম না আমি। প্রতিদিন মতিঝিল হতে বাড়ি ফিরতে হত কাজ শেষে। দৈনিক বাংলা মোড়ে জ্যাম দেখলেই হাঁটা দিতাম। কী গরম কী ঠাণ্ডা কিছুই মানতাম না। প্রতিদিন আসার সময় নতুন নতুন পথে আসতাম, দেখতাম কোনদিক দিয়ে আসলে আমি কম সময়ে বাড়ি পৌঁছাতে পারব। যেদিন স্যালারি পেতাম সেদিন তো হাঁটার গতিটা একটু বেড়েই যেত। ভেতরে ভয় ও উত্তেজনা দুটোই কাজ করত। আউটড োর কল যদি গুলশান-উত্তরা পড়ত আর জ্যাম থাকত সেদিন খবর হয়ে যেত। প্রজেক্ট শেষ করে ফিরতে ফিরতে রাত বারোটা একটা বাজত। নরমালি অফিস থেকে প্রতিদিনকার বাসায় ফেরার সময় হিসেব করতাম। নিজের সাথে নিজের প্রতিযোগিতা। কত কম সময়ে বাড়ি ফেরা যায়। সর্বনিম্ন সময় ছিল বোধহয় আটাশ মিনিট (মতিঝিল থেকে বাসা) আর ৭৪ মিনিট (গুলশান থেকে)। . দিনগুলো প্যাঁড়ার ছিল; ফেইসবুকবিহীন জীবন ছিল। তবুও ভালো ছিল। এখন আমি জ্যামে বাসে বসে ঝিমাই  :)

ভৈঙ্গা!

ফেইসবুকে Lives in Chittagong দিয়ে আর হালিশহরে একখান জমি কিনে স্থায়ী হলেই চাটগাইয়্যা হওয়া যায় না। আ ভৈঙ্গা ইজ অলওয়েজ আ ভৈঙ্গা 😉

Diplomat

If a diplomat says 'Yes' then we may assume that the answer is 'Perhaps'. If the diplomat says 'Perhaps' then the answer is actually 'No'. If the diplomat says 'No' then he is not a diplomat at all. (excerpt from yesterday's discussion with a diplomat)

ভবিষ্যৎ পৃথিবী

মানুষ ধীরে ধীরে AI নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। Google Home এর মত প্রযুক্তিগুলোর এর সাম্প্রতিক উদাহরণ। IoT এর কল্যাণে সব স্মার্ট হয়ে যাচ্ছে এখন। পাশের বাসায় ফ্রিজে কী খাবার আছে তা জানতে পারবে বাচ্চা হ্যাকাররা। ভবিষ্যতে এমন খবর শুনলে অবাক হব না :) . ১৯৮৬ সালের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ Knite Rider এ আমরা দেখেছি কথা বলা গাড়িকে, যে নিজেই নিজে চলতে পারত। KITT এর মত কথা না বলতে পারলেও Google এর বদৌলতে আমরা সামনে পেয়ে গেছি Waymo। . Marketing Management পড়ানোর সময় এক স্যার বলেছিলেন, এখন যেসব SciFi মুভি দেখেন সেসব প্রযুক্তি নিয়ে আসলে এখন কাজ হচ্ছে; সামনে আসছে। আমাদের দেখিয়ে অভ্যস্ত করা হচ্ছে। কথা মনে হয় সত্য। Iron Man এর J.A.R.V.I.S. এর মত মার্ক জাকারবারগের অলরেডি একটা জারভিস আছে। আবার IBM এর Watson চলে এসেছে অনেক আগেই। আগামীতে Smart Home System এ Cortana এর মত AI নিশ্চয়ই দেখা যাবে :)

Splendid Realization!

ছবি
Even if you cannot change all the people around you, you can change the people you choose to be around. Life is too short to waste your time on people who don’t respect, appreciate, and value you. Spend your life with people who makes you smile, laugh, and feel loved.  Source: Ritu Rahman ( https://www.facebook.com/ritu.lilion )

শান্তি শ্যাষ!

৪ দিনের বন্ধ আসলে কোন কাজের না।  কোন কিছুই করা হল না। সারাদিন ফেইসবুক আর মুভি দেখেই সময় চলে গেল। কিছুক্ষন মেশিন লার্নিং নিয়ে ঘাটাঘাটি করলাম কিন্তু আগ্রহ পেলাম না। আম্মা বলেছেন এমন করলে তিনি মোটেও পছন্দ করবেন না। আমাকে কিছু না কিছু তো করতে হবে।  জানি না এবারের রেজাল্ট কেমন হয়! আল্লাহ আল্লাহ এই দুই টার্ম ফাটায় দিতে হবে। আগামীকাল থেকে আবার প্যাঁড়া পুরোদমে শুরু। শান্তি শ্যাষ!  

লিডার!

আমাদের দেশে সবাই লিডার হতে চায় ; কিন্তু লিসেনার হতে চায় না। গায়ের জোর খাটিয়ে ম্যানেজার হতে চায় ; বুদ্ধি দিয়ে নয়। এদেশে এখন তরুণদের সংখ্যা বেশি। কিছু বুড়ো শুধু তাদের উদ্যোক্তা হবার দাওয়াই দিয়ে মাথা খাচ্ছে। সবাই যদি লিডার হয় ; কে শুনবে কার কথা ? সামনে এক হতাশাগ্রস্থ জাতি পাচ্ছি আমরা।

জীবন থেকে নেয়া

১) আল্লাহ একেকজনকে একেক অবস্থায় রেখে পরীক্ষা নেন। চারপাশ থেকে কষ্ট পেয়ে আপনি যখন ভাবছেন কষ্টে আছেন তখন আপনার থেকেও দেখবেন অনেকে কষ্টে আছে। এটা ভেবেও শুকরিয়া করা দরকার যে আল্লাহ আপনাকে অনেক ভালো রেখেছে। ২) আমরা মাঝেমাঝে ধৈর্যহারা হয়ে যাই। আমরা বুঝতে চেষ্টা করি না আমাদের কাছের মানুষটা কেমন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আমরা হুটহাট তাদের বিচার করে বসি। কষ্ট দিই। ৩) একজন ভাই বলল, তার সাথের বন্ধুরা যারা অধিকাংশই অতীতে পাপে লিপ্ত ছিল আজ তাঁরা প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু তিনি ভালো হয়েও কষ্টে আছেন। এ কেমন বিচার! আমি বলি, খেলা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। ধৈর্যধারণ করুন, কে কী বলল আমলে নিবেন না; একদিন, একদিন আপনি ভালো করবেনই। ৪) আল্লাহ আমাদের সবার জন্য রিজিকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। এইযে আমরা শ্বাসপ্রস্বাস নিই এটাও আমাদের রিজিকের আওতায় পড়ে। আমাদের চারপাশ বলে, আমরা বড়ই বাছবিচার করি। বাছবিচার করলে দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হওয়া যাবে না। আসলে আমরা বাছবিচার করি না। আল্লাহ একমাত্র আমাদের সঠিক গন্তব্য জানেন। বাছবিচারেই বের হয়ে আসে আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত রিজিক। অর্থাৎ উপার্জনের উৎস। ৫) নিয়ত একটি বড় ব্য...

শেষ মুহূর্তে

সভ্যতার চরমশিখরে থাকা কিছু 'সভ্য' আজ রাত্রে অসভ্য উদ্দমতায় নিজেদের বিলিয়ে দিবে। আসুন গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে না দিয়ে সভ্য হই। এমন কিছু করি যা করলে আগামীকালকের দিনটি প্রোডাক্টিভ হবে। এমন শেষ কিংবা শুরু বলে কিছু কি আছে? সময় তো বহমান। দেহঘড়ি যখন থেমে যাবে তখনই তো সব শেষ হয়ে যাবে। তো সেই শেষের কথা ভাবলে অসভ্য উদযাপনের কথা ভাবনাতেই আসবে না। ভালো কাজ করুন, ভাবুন আগামীতে বড় বড় ঘটনা ঘটবে আপনার জীবনে; কী সিদ্ধান্ত নিলে আপনি এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবেন। এসব নির্ভর করছে আপনার উপর। সিদ্ধান্ত নিন কচুরিপানার মত ভেসে হারিয়ে যাবেন বহুদূরে নাকি মানুষের মাঝে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন ভালো হয়ে।