ফেইসবুকে আজ কিছু পোস্ট দেখলাম যেখানে বলা হয়েছে মিডিয়া সিরিয়া রিলেটেড যেসব ছবি দিচ্ছে সেসব সত্য নয়। এমনও কিছু প্রমাণসহকারে দেখানো হল যে নিহত বাচ্চারা অথবা ভেঙ্গে পড়া দালানের নিচে আটকে পড়া লোক আসলে একেকজন অভিনেতা। এসব দেখে অনেকের বিশ্বাস উঠে গেছে বলছেন। (বিশেষতঃ কিছু হিন্দু, খৃস্টানদের পেইজ হতে এসব প্রমাণসহকারে শেয়ার দেয়া হয়েছে)। হ্যাঁ, আমিও কিছু প্রমাণ পেয়েছি যে মিশরের কিছু চলচ্চিত্রকার ছোট ছোট বাচ্চাদের নির্মম দৃশ্য চিত্রায়িত করে নেটে ছেড়েছেন। এমনকি কিছুদিন আগের ভাইরাল হওয়া ধুলোমাখা বসে থাকা শিশুটার ছবিও মিথ্যে ছিল বলে দাবী অনেকের। এখন অনেকেই জানতে চাইবেন, এসবের সব কিছুই কি মিথ্যে? না। সিরিয়ান এক মা তার সন্তানের মৃত্যু কামনা করছেন কারন,তার সন্তান ক্ষুধার্ত। তাই তার আশা সে বোমার আঘাতে মারা গেলে,অন্তত জান্নাতে গিয়ে তো খেতে পারবে! BBC এই ভিডিওটা শেয়ার দিয়েছিল (http://www.bbc.com/news/av/world-43165232/at-least-in-heaven-there-s-food)। রিমেম্মবার? যা দেখেন সব মিথ্যে না; আপনারা হয়তোবা মিডিয়ার মাধ্যমে ভুল ছবি শেয়ার দিয়ে ফেলেছেন, বিশ্বাস করে বসে আছেন। এখন এই বিশ্বাসে ...
পোস্টগুলি
ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
প্রথম বেঙ্গল বই দর্শন
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
আজ হুট করেই মামাতো ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ। ভার্সিটি বাসে বাড়ি ফিরছিলাম; তো সেও সেই পথেই ছিল। অনেকদিন দেখা হয়না ভাবলাম সে যখন ঢাকা এসেছে দেখা হওয়া দরকার। ভাইয়ের কথা মত সাতাশের কোণে নেমে গেলাম। তারপর দুজনে মিলে বেঙ্গল বইয়ে গেলাম। জায়গাটি বেশ পরিপাটি। সাজানো গুছানো। প্রবেশ মুখে সিকিউরিটি চেক করে ব্যাগে কোন এক্সপ্লসিভ আছে কিনা! নিচ তলা হতেই বই শুরু। সাথে দেখলাম কিছু কারুকার্য। মানুষ সেথায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে। আরেকটু সামনে গিয়ে পেলাম বসে আড্ডা দেবার মত একটা জায়গা। যেখানে খাওয়াও যায়! যেহেতু ঘুরতে এসেছি তাই দুইভাই মিলে ঠিক করলাম কিছু হালকা পাতলা খাবোও। ...
সিরিয়া ক্রাইসিস
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
কবে আমাদের রক্ত এমন সস্তা হয়ে গেল? কবে আমরা এমন পাথর হয়ে গেলাম? * “সকল মুসলিম একটি দেহের মত, যদি দেহের এক অংশে ব্যাথা অনুভূত হয়, তাহলে দেহের অন্যান্য অংশ তাতে আক্রান্ত হয়” (মুসলিম) ** নো‘মান বিন বাশীর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘সকল মুমিন এক ব্যক্তির মত। যদি তার চক্ষু অসুস্থ হয়, তখন তার সর্বাঙ্গ অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর যদি তার মাথায় ব্যথা হয়, তখন তার সমস্ত দেহই ব্যথিত হয়’ (মুসলিম, মিশকাত, হা/ ৪৯৫৪) *** আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তুমি তোমার ভাইকে সাহায্য কর, চাই সে অত্যাচারী হোক বা অত্যাচারিত হোক। তখন এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! অত্যাচারিতকে তো সাহায্য করব; কিন্তু অত্যাচারীকে কিভাবে সাহায্য করব? তখন নবী করীম (ছাঃ) বললেন, তাকে অত্যাচার করা থেকে বিরত রাখবে। এটিই তাকে তোমার সাহায্য করার নামান্তর’। (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত, হা/৪৯৫৭) উল্লিখিত ৩টি হাদীসে মুমিনের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সুদৃঢ় অবস্থানের স্পষ্ট বর্ণনা ফুটে উঠেছে। দেহের প্রতিটি অঙ্গের স্বতন্ত্র অবস্থান ও কর্মপরিধি থাকলেও বিপদে যেমন পরস্পরের প্রতি সহমর্মী-সমব্যাথী, তেমনি বর্ণে, বংশে, কর্মক...
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
রুমে ঢুকেই তার দেখা। জিজ্ঞেস করলাম, খাইছ? :না -কেন? : তুমি না এলে খাব কী করে? রুমে কী খাবার মতো একটা কিছু রেখে গেছ? -বাইরে গেলেই পারতে। : বাইরে যাব মানে? মাথা ঠিক আছে? বাইরে বেরোনোর অবস্থা রাখছ? -তা-ই তো! আহারে সারা দিন কী কষ্টটাই না করলা। : থাক আর ঢং করতে হবে না। ক্ষুধায় আমার পেটটা চো চো করছে। -বাকিরা? ওরা খাবে না? : তোমার আসার নামগন্ধ নেই বলে সবাই ঘুমাচ্ছে। - তাহলে তো ভালোই হলো! ঘুমিয়ে থাক সবাই। : মানে! ফালতু বকো না তো! সবাইকে ডাকছি... কথা শেষ হতেই কানের কাছ দিয়ে মশাটা মিগ-২৯ যুদ্ধ বিমানের মতো শব্দ করে বাকিদের ডাকতে চলে গেল। :P . Originally written by Sozib Mia
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
অনেকে বলে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাচ্ছি না। আসলে কথাটা সম্পূর্ন সঠিক না। যোগ্যতা থাকলে চাকরি পাওয়া কঠিন কিছু না। তবে যোগ্যতা বিষয়টা কী, সেইটার ডেফিনিশানেই আসলে সমস্যা। আমাদের দেশে আসলে ৪ বছর ইউনিভার্সিটিতে দৌড়ঝাঁপ করে যে একটা সার্টিফিকেট মিলে, সেইটাকেই যোগ্যতা ধরে বসে আছে সবাই। যোগ্যতা আসলে এইটা না। একটা ভালো প্রতিষ্ঠানে সার্কুলার দিলে কী পরিমাণ যে সিভি পড়ে, তা ঐসব জায়গায় কাজ করলেই বোঝা যায়। দিস্তার পর দিস্তা সিভি। তাহলে এইসব সিভিকে আলাদা করে কীভাবে? সবারই তো কাগুজে সার্ টিফিকেট আছে। এইরকম 'যোগ্যতা'সম্পন্ন সিভি কত বাতিল কাগজের সাথে পড়ে থাকতে দেখলাম। যোগ্যতা আসলে কাজ করার, শেখার মানসিকতার অন্য নাম। অনেক ফ্রেশারকে দেখেছি আফসোস করে যে ভাই যে পরিমাণ স্যালারি চাই, তা তো দেয় না। ভাবটা এমন, যেন তিনি গতকাল সন্ধ্যায় গুগলের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরেছেন। তিনি যা চান, তাকে তাই দিতে হবে। নইলে ঘোর অপমান হবে তার কাগুজে সার্টিফিকেটের। এদিক সেদিক কামলা খেটে দুটো কামাই করি বলে অনেকেই মাঝে মাঝে টিপস চায় কীভাবে কী করবে। ফ্রেশার হলে আমি সবসময় বলি স্যালারি যতই হোক, জয়েন করে ফেলো। প্র...
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
সেদিন ক্লাসে রিসার্চ মেথডোলজির শ্রদ্ধেয় ডঃ মামুন হাবিব স্যার কিছু সুন্দর কথা বলেছিলেন। সে আলোকে এই লেখা লিখতে বসলাম। বাইরে নাকি যখনই কোন দুই ভারতীয়র দেখা হয় তখন তারা হিন্দিতে তাদের আলাপচারিতা সেরে নেয়। কিন্তু যখন দুই বাঙ্গালির দেখা হয় তারা একেঅপরের সাথে ইংরেজিতে কথা বলেন। এটা স্যারের দেখা তাই শেয়ার করলাম; ব্যতিক্রম থাকতেই পারে। স্যারের ভাষ্যমতে, আমরা বাঙ্গালিরা নিজেদের ভাষার কদর দিতে জানি না। তাইতো এখনো ইংরেজি ভাষা দিয়ে আমাদের যাচাই করা হয়। আমরা নিজস্ব ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা করি না; করি পরের ভাষায়। “যাঁরা বলেন বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা হয় না, তাঁরা হয় বাংলা জানেন না, নয় বিজ্ঞান বোঝেন না।” কথাটি আমার না – বিশ্বখ্যাত বাঙালী পদার্থ বিজ্ঞানী 'সত্যেন্দ্রনাথ বসুর। . অনেকেই হা হুতাশ করেন কেন তারা ইংরেজি দক্ষতার সাথে বলতে পারেন না। স্যার সেদিন বললেন, হীনমন্যতায় না ভুগতে। এটা তো আমাদের মাতৃভাষা নয়; তাই আমাদের সঠিকভাবে বিদেশিদের মত পারার কথাও নয় (সাধনায় আয়ত্ত্ব সম্ভব)। ইংরেজি আন্তর্জাতিক মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা ও যোগাযোগে কাজে লাগে। আপনারা থাই ও চিনাদের ইংরেজি বলা দেখবেন দয়া করে। চাকরিস...
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
বুয়েটের সেকেন্ড ইয়ারে থাকাকালীন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের একটা ছেলে কে পড়াতাম। খুব হাসিখুশি। অনেক ব্রিলিয়ান্ট। এমন এমন সব জোকস করতো আমি অভিনয় করেও গম্ভীর থাকতে পা রতাম না। ছেলে টা আমার মন খারাপ ব্যাপার টা কিভাবে যেনো ধরে ফেলতো। এরপর ই সে এমন সব কর্মকান্ড শুরু করতো যে আমার মন ভালো হতে বাধ্য। মাঝে মাঝে আমার মনে হতো, মাস শেষে আমার ই তো এই ছেলেকে বেতন দেয়া উচিৎ। ছেলে টা মাঝে মাঝে আমাকে ফোনে বলতো, ভাইয়া, আজ আইসেন না। আমি অবাক হতাম। ওর পরীক্ষার আগ দিয়ে একদিন না যেতে বলা সত্ত্বেও আমি গেলাম। ছেলে টা চুরান্ত অপ্রস্তুত। আমি বসার রুমে বসে আছি। ভেতর থেকে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্নার শব্দ আসছে। আমার নিজের কাছে ই কেমন খারাপ লাগছে। অনেকক্ষন পর ছেলে টা এলো। ওর চোখ টা লাল। মুখ টা থমথমে। আমার সামনে ও চুপ করে বসে রইলো দশ মিনিট। আমি বললাম, কী হইসে? ও হঠাৎ আমার হাত টা ধরে ঝরঝর করে কেদে দিলো। আমি এই রকম একটা হাসিখুশি ছেলে কে কাঁদতে দেখে বেশ অবাক ই হলাম। ও বল্লো - "আমার বাবা মাঝে মাঝে ই আমার মা কে পেটায়। সামান্য কারনে পেটায়। কথায় কথায় অশ্রাব্য গালি মারে। আজ সে আমার মা কে বেল্ট দিয়ে মেরেছে।" যা জানলাম, অবাক কর...
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
সকালে এক মেয়ে স্ট্যাটাস দিছে, " বিল্লিটার জন্য খুব খারাপ লাগছে" তো ২ মিনিটের মধ্যেই দেখলাম এক ছেলের কমেন্ট, " মন খারাপ করো না আপু, বিল্লির কি অসুখ করেছে?" (ও বোধহয় বিড়ালের ডাক্তার। চিকিৎসা করবে!) এর নিচেই আরেকজনের কমেন্ট, " আপু, আপনি চাইলে নতুন এক্টা বিল্লি কিনে দিতে পারি!" (বাহ! দাতা হাতেম তাঈ) আরেকজন, কমেন্টে ফুটুফুটে এক্টা বিড়ালের ছবি দিছে, উপরে লিখছে, " আপু, এইবার হাসো"(ছেলেটা কত্ত জনদরদী! মানুষকে হাসানোর জন্য কী প্রাণান্তকর চেষ্টা!) আরেকজন লিখছে, " মন খারাপ করো না আপ ু। আমার বাসায় ২টা বিল্লি আছে। সুন্দরটা তোমাকে গিফট করবো।" (সুন্দরটা দিয়ে দিবে, কি সেক্রিফাইস!) …তো মেয়েটা বোধহয় স্ট্যাটাস দিয়েই নেট থেকে বেরিয়ে গেছে। কমেন্টের রিপ্লাই দিচ্ছে না। কমেন্ট চলছেই ২৬ মিনিটে ৬৯ কমেন্ট। একজনের কমেন্ট, " বাইরে কোথাও থেকে বেড়িয়ে আসো। মন ভালো হয়ে যাবে!" (বেচারা বোধহয় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ) তো তখন এক্টা মেয়ে কমেন্ট করলো, সম্ভবতো স্ট্যাটাস দাত্রীর বান্ধবী, " ওই দেখ, তোর স্ট্যাটাসে কি চলতেছে?" … আর যায় কোথায়? এখন স...
Prosumer
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
A prosumer is a person who consumes and produces a product. In the field of renewable energy, prosumers are households or organisations which at times produce surplus fuel or energy and feed it into a national (or local) distribution network; whilst at other times (when their fuel or energy requirements outstrip their own production of it) they consume that same fuel or energy from that grid. This is widely done by households by means of PV panels on their roofs generating electricity. Such households may additionally make use of battery storage to increase their share of self-consumed PV electricity, referred to as prosumage in the literature. Watch: https://youtu.be/637R4Mscr_g
এসব বই আমার জন্য না!
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
গেল কিছুদিন টানা ২ টি বই আর্গুমেন্ট অফ আরজু এবং প্যারাডক্সিকাল সাজিদ পড়ার পর যা বুঝলাম- এসব বই আমার জন্য না। যাদের বিশ্বাস একেবারেই নড়বড়ে; কোন নাস্তিক তাদের প্রশ্ন করলে যারা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে-- তাদের জন্য এসব বই টনিকের কাজ করবে। আর যেসব প্রশ্ন দেয়া হয়েছে এবং যারা এসব করে তাদের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকার চেষ্টা করি। 'সামিআনা ওয়াত্বানা' অর্থাৎ শুনলাম মানলাম ক্যাটাগরির মানুষ আমি। কে কোন নাস্তিক আজাইরা প্রশ্ন করল আর সেই প্রশ্নে আমার ঈমান টলে গেল এইরকম মুসলিম আমি না। হেদায়েতের মালিক আল্লাহ; তিনি যদি না চান তাহলে কিছুই হবে না। বেশ প্যাঁচালে সালাম দিয়ে চলে আসি। তবে একটা কথা সত্য যে বইগুলোতে নাস্তিকদের প্রশ্নে দেয়া যুক্তিগুলো অকাট্য ছিল :) আর যে মানুষ আহমেদ দিদাতের বিতর্ক শুনেছে তার কাছে এসব মামুলি লাগবে এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার।