পোস্টগুলি

জুন, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ব্রান্ডিং এর ভাড়ামো

একটা প্রডাক্ট ব্রান্ডিং করতে গেলে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। প্রডাক্ট ব্রান্ডিং এর সাথে সংস্কৃতির একটা ভাল যোগসূত্র আছে। আপনার নতুন একটা প্রডাক্ট বাজারে আসলে মানুষ সেটাই কেন কিনবে? মানুষকে সেটা না বোঝাতে পারলে ওই প্রডাক্টকে আগানো সম্ভব না। আপনি চায়না তে যে প্রডাক্ট মার্কেটিং স্টাইল ফলো করবেন, সেটা বাংলাদেশে করলে পুরদস্তুর ধরা খাবেন। চায়না তে শাওমি মোবাইল কিন্তু কোন শপে পাওয়া যায় না( আমি যতদূর জানি) এটা অনলাইনে পাওয়া যায়। এই কাজটা বাংলাদেশে করলে এই প্রডাক্ট চলবে না। কারন আমরা হাতে না দেখে কোন প্রডাক্ট সহজে কিনতে চাই না। বাংলাদেশে অনলাইনে দেখানো হয় ঘোড়া, কিন্তু হাতে দেয়া হয় গাধা। আমি দুইবার কিনে ধরা খাইছি।  আমরা অনেকেই ভাবি, ব্রান্ডিং মানে হলো টিভি তে অনেক বেশি এ্যাড দেয়া। তাহলেই ব্রান্ডিং হয়ে যাবে। এটা ব্রান্ডিং এর একটা অংশ মাত্র। এখন একটা ট্রেন্ড শুরু হয়েছে ফেসবুকে লাইভ এসে তথাকথিত স্টাররা বিভিন্ন প্রডাক্ট, রেস্টুরেন্ট এর ব্রান্ডিং করে। কিছু হাস্যকর ব্রান্ডিং দেখে হাসি পেয়েছে এবারের রোজাতে। হাফ প্যান্ট পরে লাইভে চলে আসছে ইফতার করতে। তার মানে ব্রান্ডিং করতে যেয়ে আপনি আরো ঝামেলায়...
আমার আশেপাশে অনেকেই আছেন সমাজকর্ম করেন তাদের জন্য খুশির খবর। ‘জয় বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ড’। এবার সামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং ক্রীড়া উন্নয়ন বিভাগে অবদানের জন্য ৬৪ তরুণ-তরুণীকে এই এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। এসব ক্ষেত্রে যারা কাজ করছেন তারা জুলাই মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। এ আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে ২০০ আবেদনপত্র পরবর্তী পর্যায়ের জন্য অনুমোদন পাবে। এরপর ইয়াং বাংলার নিজস্ব একটি যাচাই-বাছাই দল ঐ ২০০ আবেদনকারীর কার্যক্রম সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করবেন। সকল বাছাই শেষে ৬৪ জনকে তাদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হবে জয় বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ড। প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আগামী অক্টোবর মাসে বিজয়ীদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেবেন বলে জানিয়েছেন ইয়াং বাংলার কর্ণধাররা।
Life is too short to have a sad face. You've got a blessing you didn't expect to have. You've got a curse you didn't deserve to have. Still, smile. Even smile with tears in your eyes. Even cry with smile in your lips. You didn't want it to happen, still it happened. You wanted it to happen, still it didn't happen. The world is not all about answering your prayers, it's all about answering your needs. Maybe you can't feel what feels wonderful.  Maybe you can't even make the least room for your wonderful feelings. Maybe you're just forced to murder your most beautiful feelings in the most ruthless way. Still, believe, it bears a message. It teaches you how to live, why to live, what to live for, what to live with, what to live without, whom to live with, whom to live without, even when to die, no matter however you feel like living or deserve to live to the fullest. Not always living is worth-living. Still, live. Even sometimes live dying. Sho...
আজ ঈদের নামাজের আগে খতিব সাহেব যা বললেন তার সারমর্ম এরূপ:- শেষ এক মাস যারা ভালো ছিলেন তাদের জন্য আজকে খুশির দিন। যারা খারাপ কাজে টাইম পাস করসেন তাদের বাইরে খুশি দেখালেও ভেতরে ভেতরে শেষ! কথা সত্য! এরকম মনে হচ্ছে না যে, হায় এ রমজানটাও গেল। ঠিক হইতে পারলাম না? :( কাউন্ডা লাইক, আজকে আমাদের গ্রাজুয়েশন ডেই। কারো সিজি খারাপ; কারো ভালো! তাক্বওয়ার উপর ডিগ্রি নিসি সবাই। . মেইবি, আরেক রমজান আছে বাকি। আল্লাহ্ চান তো, এর পরেরটায় পরিবারে সদস্য বৃদ্ধি পাবে :)

Farewell Cal Bhai!

ছবি
Still I can not believe it! Beloved and respectable Cal Jahan bhai is no more! It's yesterday you accepted my request to MOOC Exchange group again :(  Today you left us :( In the last of the month of the Ramadaan, without celebrating Eid. May Allah grant you bhai a place in the highest peak of Jannah. It's my du'a from inner core of my heart. Ameen.              Those who don't know Cal Jahan bhai: His actual name is Shumon Jahan(43); the Co-founder and former curator of TEDxDhaka left us today morning in the USA. I was an attendee on his very first event of TEDxDhaka : Be the Change as well as the 1st TED event on Bangladesh. His contribution was enthusiastic and instrumental to the foundation of the TEDx movement in Bangladesh. Everyone please pray for his departed soul. May Allah give strength his family in this hard time. Ameen.
চীন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রায় ১২ বছর তাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে রেখেছিলো। চীন সরকারের বক্তব্য ছিল, এত ছেলেমেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে কি করবে? এর দ্বারা কোথায় চাকরি পাবে? কেইবা চাকরী দিবে? এত হাজার হাজার বেকারকে চাকরী দেয়ার মত প্রতিষ্ঠান চীনে নেই।  এই সময়টায় চীন ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক প্রশিক্ষন দিয়েছিল নানা ধরনের ট্রেড কোর্সে। স্বল্প মেয়াদী ট্রেড কোর্স শিখে চীনের ছেলে মেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে গেলো। প্রতিটি বাড়ি গড়ে উঠল একটা করে ছোট ছোট কারখানায়। পরিবারের সবাই সেখানে কাজ করে। বড় ফ্যাক্টরী করার আলাদা খরচ নেই। ফলে পন্যের উৎপাদন খরচ কমে গেলো। বর্তমানে যেকোন পন্য স্বস্তায় উৎপাদন করার সক্ষমতায় তাদের ধারে কাছে কেউ নেই। পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে চাইনিজ পন্যের প্রসার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে তারা বিশ্ব বানিজ্যের এক অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তি। উপযুক্ত মুল্য দিলে তারা এমন জিনিস বানিয়ে দেবে যার গ্যারান্টি আপনি চাইলে ১০০ বছরও দিতে পারবেন। বাংলাদেশে সিমফোনি, ম‍্যাক্সিমাস, মাইক্রোম্যাক্স, স্মার্টফোন, ওয়াইম্যাক্স, ওয়ালটনসহ ইত্যাদি বহু প্রতিষ্ঠান এই চায়নার বদৌ...
সকালে জেগে জেগে রশিদ খানের বিধ্বংসী বোলিং দেখলাম। এই আফগান বোলার ক্যারিবীয়ানদের তাদের মাটিতে পুরোই ধসিয়ে দিলেন একাই। আর এটা জায়গা করে নিল ওয়ানডের বেস্ট বোলিং ফিগারের অন্যতম হিসেবে: ৭/১৮!! বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের বাইরে আরেক টেস্ট প্লেয়িং নেশনকে আফগানরা হারাল। এটা নিশ্চিত যে আগামী ২০ বছরে নেক্সট এশিয়ান ক্রিকেটে পরাশক্তি হতে যাচ্ছে এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি। বেশ সমীহ জাগানিয়া কিছু প্লেয়ার আছে তাদের যেমন, মোহাম্মদ নবী, আসগর স্টানিকজাই, রশিদ খান। এদের আমরা বিপিএলেও দেখেছি! অন্যদিকে ক্যারিবীয়ানদের এখন খরা চলছে। তরুণ তুর্কি চেইজের নেতৃত্বে দলটি খাবি খাচ্ছে এখন। লারাদের সময়ে ফিরতে হলে তাদের অপেক্ষা করতে হবে আরো ক'বছর। খুব চাইবো ক্যারিবীয়ানরা যেন সে স্বর্ণালী দিনগুলোতে ফিরে যায়। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ও পরপর দুই বিশ্বকাপ জেতা দেশটি এখন সহযোগী দেশের সাথেও হারে-- এটা দেখতে সত্যই খারাপ লাগে! #cricket #riseofafghanistan