পোস্টগুলি

2018 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

CSCA™

যে ফ্রেন্ডগুলার সারাবছর কোন খোঁজখবর থাকে না তাঁরাও সাফল্যের খবর পেলে নক দেয়। আল্লাহর রহমতে CSCA Exam পাশ করলাম with distinction (90% marks); তার মানে এখন থেকে আমি Certified Supply Chain Analyst :) নামের শেষে CSCA™ ব্যবহার করতে পারব =D মনে পড়ে যখন এই জার্নিটা শুরু করেছিলাম তখন এক ফ্রেন্ড বলেছিল এসব করার কোন দরকার নাই; কোন কাজে আসে না। অনেক খারাপ কথা বলেছিল। তার কোন কথা না শুনে আমি এই যাত্রা শুরু করেছিলাম। আল্লাহর রহমতে তার কোন কথাই আজ পর্যন্ত সঠিক হয়নি। পরে দেখেছি সে আসলে চায়নি আমিও তার মত CSCA™ হই। আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণা। রেগুলার এমবিএর নিত্যদিনের প্যাঁড়ার মাঝে মাঝে পড়ে এই ওয়ার্ল্ড ক্লাস মানের সার্টিফিকেট এক্সামটা পাশ করলাম; গত দুই রাত ঘুমাই নাই পড়েছি। কারণ আমার ভার্সিটিতে মিড এক্সাম চলছে; সেগুলোও আশানুরুপ হয়নি বলে চিন্তায় ছিলাম; আল্লাহর আশাহত করেন নাই। আলহামদুলিল্লাহ। অনেক দূর যেতে হবে। যাত্রা কেবল শুরু। দু'আ করবেন আমার জন্য :)

ভার্চুয়াল ইন্টার্ন এক্সপেরিয়েন্স

অলস মস্তিষ্ক আমার তাই নানান জিনিস মনে ঘুরে। সামনে ইন্টার্নশিপ নাকি থিসিস করব এটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে চিন্তা করলাম, আচ্ছা এমন হলে কেমন হয় যদি আমি বাসায় বসেই ইন্টার্ন করতে পারতাম। এটাকে কি নাম দেয়া যায়? ভার্চুয়াল ইন্টার্ন এক্সপেরিয়েন্স? ওকে! যেই ভাবা সেই কাজ! গুগলে সার্চ দেয়া শুরু করলাম! ওমা! এমন জিনিস ভুরি ভুরি! বাংলাদেশে নাই; তবে পাশের দেশে অনেক আছে! এক বিদেশি বন্ধুর শরণাপন্ন হলাম। সে একটু বুঝিয়ে বলে এক জায়গার ঠিকানা দিল। আমি রিজিউমে জমা দিয়া দিলাম। ওদের রোবটটা বলল, তোমার সাথে কথা বলব, টাইম ডেট বুকিং দাও। ছোটখাট ইন্টারভিউ। আমি স্কাইপে ইন্টার্ভিউ আগেও দিয়েছি সো চিন্তা না করেই বুকিং দিয়ে দিলাম। আমার সাথে কথা বলবে লুক পিয়েজ নামের এক ভদ্রলোক সুদূর ইউকেই থেকে। ভয়ে ছিলাম ব্রিটিশদের কথা বুঝি কিনা। যথারীতি সময়মত পাক্কা আধা ঘণ্টা বকবক করলাম দুইজন। আমি ভেবেছিলাম সে খুব ফাস্ট হবে আর আমি কিছু বুঝব না বাট উল্টাটা হয়েছে। যাই হোক, ভার্চুয়াল ইন্টার্নশিপে অনেক খরচ! তবে ওরা মানি দেয় ঘণ্টা হিসেবে। এটা ভালো দিক। ১০-১৫ ঘণ্টা এক সপ্তাহে। কাজ হবে উত্তর ইউরোপের একটা কোম্পানির সাথে। লুকের আর্টিফিশিয়াল ইনটিলিজেন্...

ঘোর অন্ধকার দেখছি সামনে

সম্মান অনেক আগেই চলে গেছে। সেই ৫ বছর আগে। বন্ধুটি যখন রাস্তায় মরে পড়েছিল। তখন কিছু মানুষ বলেছিল আজ আমাদের সমর্থন দিলে না কাল তোমাদের পিঠে ছুরি মারলে বুঝবে আমাদের কষ্ট। কোটা আন্দোলন স্তিমিত করে দিল রাজনীতি ঢুকিয়ে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে বাচ্চাদের আন্দোলনে একই কাজটাই করল। এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কৃত্রিম উপগ্রহ, পদ্মা সেতু, উড়ালসেতু, মেট্রোরেইল দিয়ে কি হবে লোকজন যদি নিরাপদে না থাকে? আর কতদিন মানুষ অবুঝের মত আস্থার বানী শুনে নির্লজ্জ মিথ্যুক কিছু মানুষকে নেতা মেনে যাবে? আর কতদিন ছাত্রের নামে অছাত্র কিছু সংগঠনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দেখেও চুপ থাকবে? পরিবর্তন কি আসবে না?  ঘোর অন্ধকার দেখছি সামনে। আজ হতে মাস কয়েক পরে আমরা যদি সব ভুলে যাই তাহলে বুঝে নিব এই দেশ নিয়ে ভেবে কিছুই হবে না। এরপর আমরা উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাব কি?
"যবানের মধ্যে দুটি বড় বিপদ রয়েছে, যার একটি থেকে মুক্তি পেলেই আরেকটি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না! একটি হল কথা বলার বিপদ আরেকটি হল চুপ থাকার। আপন আপন সময়ে প্রত্যেকটি অপরটি থেকে বড় বিপদ হতে পারে" - ইবনুল কায়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ্) একটি সুন্দর দিনের অপেক্ষায় রইলাম।
কয়েকমাস আগে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা দিয়েছিল, 'বিয়ে না করেও দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে মেয়ে একসাথে থাকতে পারবে' নো অফেন্স, দেশীয় কিছু 'আবাল' এই নিউজ বাংলাদেশে ভেবে উল্লাস করে হোমপেজ সয়লাভ করে ফেলেছে। তাদের জ্ঞাতার্থে বলতে চাই, এই ঘোষণা বাংলাদেশে কখনোই হবে না। আমাদের ইথিক্স, কালচার, রিলেজিয়ন এসব হতে দিবে না। যে ওয়েব পোর্টালটি এই নিউজ শেয়ার করেছে আসুন দেখে নিই তাদের কিছু নিউজের নমুনা- "প্রেমে পড়ার আগে নিজেকে এই সাতটি প্রশ্ন অবশ্যই করবেন" "এই ৫ টি প্রশ্ন করেই জেনে নিন আপনার পার্টনার প্রতারণা করছে কিনা" "কলকাতায় কোন হোটেলে অবিবাহিত জুটি নিরাপদ ? জেনেনিন বিস্তারিত" "প্রেমে সফল হওয়ার মন্ত্র" কাম অন! এমন লুতুপুতু / ভালগার মার্কা ওয়েবসাইটের নিউজ আপনারা কিভাবে শেয়ার করেন বুঝি না!
প্রায় এক দশক আগে এমন এক দিনে ইন্টারের রেজাল্ট দিল। সকালে জানলাম জিপিএ ফাইভ পেয়েছি। বিকেলে জানলাম আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারব না। ফিজিক্সে ফাইভ আসেনাই; ভেঙ্গে পড়লাম। মেনে নিতে পারছিলাম না কারণ স্বপ্নই হল টেকনিক্যাল লাইনে পড়ার। ফ্রেন্ডরা সব ফোন দিয়ে স্বান্তনা দিতে থাকল তারপরও কেউ আমার কান্না থামাতে পারল না। কলেজের আরেক ফ্রেন্ডেরও একই অবস্থা। আমরা দুইজনই ইঞ্জিনিয়ারিং প্রিপারেশন নিয়েছি। বোর্ডে গেলাম চ্যালেঞ্জ করতে। ফ্রেন্ডটা বলল, 'কি আর করার দোস্ত, মেডিক্যালে পড়তে হবে!' চ্যালেঞ্জের রেজাল্ট দেয়ার আগেই বুয়েটের এক্সাম হয়ে গেল। পরের দিন রেজাল্ট আসল, আমার ফিজিক্সে ফাইভ এসেছে। কিছুই করার ছিল না ততক্ষণে। এরপর যা দিয়েছি সব পাবলিক ও প্রকৌশলে হয়েছে; কোনটায় বাদ যাইনাই আমরা। আমার ওই ফ্রেন্ডটা যে জিদ নিয়ে বলেছিল সে সেটা করে দেখিয়েছে। সে আজ ডাক্তার; আমি আমার পথে আল্লাহর রহমতে চলতে পেরেছি; আমিও আজ ইঞ্জিনিয়ার। আজ জীবনে এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে মনে হয়; সেদিনের ওই ক্লাইমেক্সটা দরকার ছিল। না হলে আমি বুঝতাম না এই ফাইভ মিসের কষ্টটা কিরকম। আমাদের অনেক ফ্রেন্ড, জুনিয়র অনেক ট্যালেন্ট হওয়া সত্ত্বেও এই ফাইভ মিস হ...
একলা জীবনের শেষ বিশ্বকাপ ফুটবল দেখে ফেললাম :) আল্লাহ চান তো কাতার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা তাঁকে সাথে নিয়ে স্টেডিয়ামে বসে দেখার ইচ্ছে রাখি =D

Another Resolution Unlocked!

Alhamdulillah! Just received the Good news from ISCEA Bangladesh :) We are one of the winners of Global Supply Chain Case Competition - ISCEA PTAK PRIZE 2018 :) First of all, I want to thank my teammates for this success. We had to solve the case and submit during our semester final exam; it was not easy for us to find time for it. But we were confident that we will win a scholarship to be a CSCA. Our hardship is just paid off. It's a wonderful moment to see our Team ID on the winner's list :) Special thanks to Mahedi Hasan Omi and Ishtier Rahman Rabby for your continuous support and cooperation :) A road to be a Certified Supply Chain Analyst (CSCA), in shaa Allah :)
মজার ব্যাপার হচ্ছে, এবার লিডারশিপ কোর্সের ফাইনাল টার্ম পেপারটা করেছিলাম ইলন মাস্কের উপর। মাস্কের কাজ, লিডারশিপ কোয়ালিটি ও আমি কী শিখলাম তার উপর প্রেজেন্টেশন দিই ৮ তারিখ। সেদিন স্পেসএক্সের বর্ণনা দেয়ার সময় বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটাও মেনশন করেছিলাম :D ফ্যাসিলিটেটর প্রেজেন্টেশন শেষে আমাকে বলেন 'It was a good presentation' এবং বিশেষভাবে, আমার প্রেজেন্টেশন জমা দিতে বলেছিলেন। এক ঢিলে দুইপাখি মারা গেছে: অনেকেই ইলন মাস্ক কে চিনত না; চেনানো গেছে আর স্যারকে বঙ্গবন্ধু-১ দিয়ে ইম্প্রেস করানো গেছে; স্যার নাকি জানতেনি না স্পেসএক্সের কথা!! =D
দুইটি বাইরের কোম্পানিতে চাকরীর জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলাম। স্কাইপে ভাইভাও হয়েছিল। এখন আজ দুটোই আমাকে মেইল দিয়েছে একেকটা রিজেকশন লেটার দেখে মনে হচ্ছে একেকটা পারসুয়েসিভ লেটার; বেশ অমায়িকভাবে তারা শেষমেশ বুঝিয়েছে তারা এযাত্রায় আমাকে নিতে পারছেন না! আর আমাদের দেশের কোম্পানিগুলো তো মুখের উপর না বলে দেয়। এখানেই পার্থক্য!
ছবি
ভবিষ্যতে যারা সামরিক প্রতিষ্ঠানে পড়তে আসবে তাদের প্রতি কিছু অগ্রিম উপদেশ (কিংবা অনুরোধ) হল- "সর্বদা মাথায় রাখবে তুমি একজন বেসামরিক; প্রতিদিন নতুন নতুন নিয়ম আরোপ করা হবে। যদি পাশ করে যেতে চাও তাহলে মাথা পেতে মেনে নিতে হবে। কোন প্রতিবাদ করা যাবে না কারণ, তুমি সামরিক প্রতিষ্ঠানের খেয়ে পড়ে কীভাবে প্রতিবাদ করবে?  :)  আর তোমার সাথে সাথে সামরিক কর্মকর্তাদেরদের ছেলেমেয়েরাও পড়বে তাদের বন্ধুর মত মেনে তো চলবেই এমনকি মাঝে মাঝে মন না চাইলেও তাদের যুক্তিগুলোও মেনে নিবে। সামরিক প্রতিষ্ঠানের সুন্দর গুছানো পরিবেশ দেখেই মোহগ্রস্থ হবে না। কারণ তার আড়ালে লুকিয়ে আছে অজস্র বিধিনিষেধ। এগুলো মাথা পেতে মেনে নিলে আশা করি টিকে থাকতে পারবে। ভেতরে ভেতরে মরে গেলে টেনে টুনে পাশ করে বের হবে কিন্তু স্বর্ণপদক পাবে এমন আশা না রাখাই ভালো। পুনশ্চঃ মনে রাখবে এটা ফেইসবুক। ফেইসবুকে বসে ফেইসবুকের বিরুদ্ধে অনেক কিছু বললেও এই নীতি বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারবে না। করলেই গোপনে স্ক্রিনশট কিংবা প্যাঁদানি খাবার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।" ইতি সামরিক প্রতিষ্ঠানের একজন প্রাক্তন বেসামরিক। (সবার জন্য প্রযোজ্য নয়)
কলেজে থাকতে স্যাররা কোন সিলেবাস ধরে পড়াতেন না। এক একটা বই আমরা তামা তামা করতাম। টেস্ট পরীক্ষার পর মাথায় আসত যে টেস্ট পেপার সল্ভ করা লাগবে! এর পর চেক করলে দেখা যেত সবই আমরা পারি। নটর ডেমের ছেলেদের তাই এসব সিলেবাস নিয়ে মাথা ঘামাতে দেখা যায় না কখনোই। ওরা যেকোনো প্রশ্নের জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকে। আর এভাবেই তাদের গড়া হয়। গতকালকের ফিজিক্স পরীক্ষার প্রশ্ন গতানুগতিক প্রশ্নের মত হয় নাই। যেসব অধ্যায় স্যাররা সাধারণত বাদ দিয়ে পড়ান সেগুলো হতেও প্রশ্ন দিয়েছে। যার ফলে বেশিরভাগ ছাত্র বাঁশ খেয়েছে। এদিক থেকে নটর ডেমের ছাত্র বাঁশ খেলেও তুলনামুলকভাবে কম বাঁশ খেয়েছে। কারণ, কিছু নটর ডেমের পরীক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে বুঝলাম ওরা এসবে কেয়ার করে না; আমরাও করতাম কিনা জানি না! তবে এটা বুঝা গেল, বাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে এসব ব্যাপারে নটর ডেমকে ফলো করতে পারে! শুধুমাত্র এইচএসসির জন্য ছেলেদের প্রস্তুত না করে আগামীর জন্য প্রস্তুত করা উচিত বলেই মনে করি! কিছু ছেলেপেলে এখনই হতাশ কেননা ফিজিক্সে এ প্লাস না আসলে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারবে না। তাদের জন্য পরামর্শ হল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার চেয়ে অন্য অনেক ভালো সাবজেক্ট ...

ছুটি!

শুক্র ও শনি দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। ২৯ এপ্রিল রোববার বৌদ্ধপূর্ণিমার সরকারি ছুটি। ৩০ এপ্রিল সোমবার থাকছে কর্মদিবস। শ্রমিক দিবসের ছুটি ১ মে। ২ মে বুধবার থাকছে পবিত্র শবে বরাতের ছুটি। ৩ মে বৃহস্পতিবার কর্মদিবস। ৪ ও ৫ মে শুক্র ও শনিবার রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। ৩০ তারিখ ভার্সিটি না গেলে টানা ১০ দিনের ছুটি!
বহুদিন বাদে টার্মপেপার হাতে লিখতে বসলাম। দুই পেইজ লিখে ভাবলাম অনেক তো লিখেছি। যাই একটু ফেইসবুকে ঢুঁ মেরে আসি। এই মাত্র ঘড়ি দেখলাম; ১ ঘণ্টা যে কবে পেরিয়েছে টেরই পেলাম না! বুঝলাম এভাবেই প্রতিদিন সময়গুলো হারিয়ে যাচ্ছে জীবন থেকে।  
ছবি
গীতিকার বলেছেন, 'বখাটে ছেলের ভিড়ে ললনাদের রেহাই নাই' সাক্ষাত ইভটিজিংকে উস্কে দেয়া গান  ;) তা যাই হোক, ললনারা আজ যে যেখানে থাকবেন সাবধানতা অবলম্বন করবেন।
এই ক'দিনে কিছু কিছু মানুষের চেহারা চিনে রেখেছি। এরা ভাবেন তাদের জন্য BAT, Unilever, Marico, Telenor অপেক্ষা করছে; তারা কর্পোরেট লাইফ লিড করতে চান যেহেতু তারা নিজেদের এলিট ক্লাসের সদস্য মনে করেন। তাই তারা এসব আন্দোলনে গিয়ে সময় নষ্ট করতে চান না। আবার যখন তাদেরই সাথে পড়াশুনা করা কিছু মানুষ (তারা এলিট নন) প্রতিবাদ করতে চান; তাদের নানান কথা দিয়ে দাবিয়ে রাখতে চান এসব এলিট মানুষেরা। আসলে এরা কলোনাইজড মাইন্ড লালন করে চলেন। বাক্সের বাইরে চিন্তা করতে পারেন না। হু, মানলাম আপনারা বেসরকারি খাতে অবদান রাখবেন তাই বলে যারা সরকারী খাতে বিনিয়োগ করতে চান তাদের স্বপ্নকে আটকে বলতে পারেন না যে এসব আন্দোলনে যেয়ে লাভ নাই আমাদের মত করে স্বপ্ন দেখা শুরু করো! সবার জন্য সব কিছু না। সমাজে ভারসাম্য থাকা লাগে। কেউ যাবে বেসরকারিতে আবার কেউ যাবে সরকারীতে। আপনি হয়তোবা ভাবছেন আজ আমি বেসরকারি খাতে যাবো তাই আমার এতে কাজ কী! ভুল ভাবছেন, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কথা ভাবতে হবে। আজ আপনি নিজের প্রজন্মের মানুষকে কথা দিয়ে থামানোর বৃথা চেষ্টা করছেন। আগামীতে আপনারই ছেলেমেয়ে আপনাকে কথা শুনিয়ে দিতেও পারে। 
টিভিটাতে বেশ সমস্যা। ঝির ঝির করে। আমার আম্মা বিটিভি দেখেন। আমি টিভি দেখি না বললেই চলে। বাসায় ফিরতেই আম্মা বললেন, এই যে তোরা আন্দোলন করছিস (আমি করি না যদিও সমর্থন করি) এভাবে ভিসির বাসা ভাঙ্গা কি ঠিক? আবার বলছিস ৫৬ কে ১০ করতে। একটু আগে তো বিটিভিতেই দেখালো সংবিধানে নাকি পারসেনটেইজ দিয়া বলা আছে? সংবিধানের বিপক্ষে তোরা শেষমেশ? আমি হাসলাম, বললাম ওয়েট। সংবিধানখানা নিয়া আসি। এরপর সংবিধান খুলে অনুচ্ছেদ ২৯ জোরে জোরে পড়ে শুনালাম। [২৯(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে] আর আম্মাকে সংবিধানখানা ধরিয়ে দিলাম। বললাম খুঁজে বের করুন কোথায় এসব ৫৬% এর কথা লিখা আছে! এটা আপনার এসাইনমেন্ট :) সংবিধান পড়ার চেয়ে মজার ব্যাপার আর কিছু নাই ;) পুনশ্চঃ বিটিভি জাতীয় গণমাধ্যম। স্বাভাবিকভাবেই তারা দিনশেষে ভাঙচুরই দেখাবে কিন্তু সংগ্রামটা দেখাবে না। আম্মা সোজা সরল মানুষ। ভাগ্য ভালো ৭১ টিভির খপ্পরে পড়েন নাই। বিটিভি হল মন্দের ভালো; দেশ যদি উল্টেও যায় তারপরেও ওরা দর্শকদের কাছে সেটা পৌঁছুতে দেবে না। তবে নিউজ যা করে সব ভেবে চিন্তেই করে। ৭১ এর মত ফালতু রিপোর্ট করে না! ...
এখন তো ছাত্ররা ক্ষেপেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন হচ্ছে। সামনে জনতা ক্ষেপবে। ভ্যাট সংস্কার আন্দোলন হবে। লিখে রাখেন। এই দেশে আরও আন্দোলন হওয়া জরুরি। না হলে মানুষ হবে না এই দেশ! #ReformQuotaBD
উস্তাদ বলিলেন, দূরদর্শী হও, তালেব। আমি কহিলাম, কেমনে উস্তাদ? উস্তাদ শুধাইলেন, এত ত্রিশ ত্রিশ করো কেন? আমি কহিলাম, কেননা এর আগেই যা হইবার হইবে নচেৎ বারোটা বাজিবে। উস্তাদ হাসিয়া কহিলেন, বৎস চিন্তার পরিধি বৃদ্ধি করো। ত্রিশেই সব শেষ নহে অতো কেবল শুরু। অবাক হইয়া শুধাইলাম, শুরু? যদি নাহি পারি তো মৃত্যু অনিবার্য! উস্তাদ ভরসা দিয়া কহিলেন, আগামীর পৃথিবীর নিমিত্তে দক্ষতা অর্জন করো। বয়সকে ত্রিশে বাধিয়া ফেলাইও না। সেসময়ের জন্য ভাবিও যেসময়ে তোমাকে যুদ্ধ করিতে হইবে আজিকার তরুণদের সহিত। আমি উস্তাদের কথা মানিয়া লইতে বাধ্য হইলাম, বলিলাম- যথা আজ্ঞা! #উস্তাদওতালেব

ব্লকচেইনের খুঁটিনাটি (শেষ পর্ব)

ছবি
পর্ব - ১  ব্লকচেইন কীভাবে কাজ করে?  ব্লকচেইন মূলত একটি P2P নেটওয়ার্ক তৈরি করে যেখানে ব্লকচেইনের প্রত্যেকটি ব্লকের ডেটা ইন্টারনেটে কানেক্টেড থাকা যেকোনো ব্যাক্তি ব্লকগুলোকে ভেরিফাই করতে পারে। যখন কোন নতুন একজন এই ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে রেজিস্টার করে, তখন সে তার সামনের এনবং তার আগের সব ব্লকগুলোর কপি পেয়ে যায় এবং সে প্রত্যেকটি ব্লককে ভেরিফাই করে এবং নিশ্চিত করে যে ব্লকচেইনে থাকা প্রত্যেকটি ডেটা এখনও ঠিক আছে। ব্লকচেইনের প্রত্যেকটি ব্লক যত বেশি বার ভেরিফাই করা হয়, ডেটাগুলো ততই বেশি অপরিবর্তনীয় হয়ে ওঠে। মুলত এভাবেই ব্লকচেইন টেকনোলজি এগিয়ে যেতে থাকে। আমরা সবাই জানি যে বিটকয়েন ট্র্যানজেকশনগুলো ব্লকচেইন টেকনোলজির ওপরে ভিত্তি করে কাজ করে।  ধরুন, আপনার কাছে ১০ বিটকয়েন আছে এবং আপনি সেখান থেকে ৫ বিটকয়েন আমাকে সেন্ড করতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে এই অ্যামাউন্টটি আপনার ওয়ালেট থেকে আমার ওয়ালেটে ট্রান্সফার হবে। যখন আপনি আমার ওয়ালেট অ্যাড্রেসে বিটকয়েনটি পাঠিয়ে দেবেন, ঠিক তখন এই লেন-দেনটির সব ডিটেইলস নিয়ে ব্লকচেইনে একটি নতুন ব্লক তৈরি হবে। এই ব্লকটির ডেটা হিসেবে থাকবে সেন্ডার অর্থাৎ আপন...

ব্লকচেইনের খুঁটিনাটি

অনেক অনেক বছর আগে মানুষ যার যেটা প্রয়োজন সেই অনুযায়ী জিনিসপত্র লেনদেন করত। সেখানে সমস্যা হল, ধরা যাক সবজি চাষি রহিম মিয়ার এক বস্তা চাল লাগবে, বিনিময়ে সে এক ঝুড়ি সবজি দেবে। করিম মিয়ার কাছে বিনিময়যোগ্য এক বস্তা চাল আছে, কিন্তু সবজি তার প্রয়োজন নেই। তাহলে এখানে বিনিময় হতে পারছেনা। এভাবে সবাই ভেবে দেখলো, একটা এমন কিছু দরকার সকলের কাছে যার মূল্য আছে যেমন, সোনা। এভাবে সেই অনেক বছর আগে থেকে এখনো সোনাকে সম্পদ পরিমাপের একটা একক হিসাবে ধরা যায়। আগে সরাসরি সোনা লেনদেন হত, সেটা একসময় মানুষের প্রয়োজনমত কাগজের মুদ্রা ব্যবস্থায় রূপ নেয়। এভাবে বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রা যেমন, টাকা, ডলার, পাউণ্ড, ইউরো ইত্যাদি এসেছে। দেশের অর্থনীতির চাহিদা অনুযায়ী সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রা ছেপে বাজারে ছাড়তে পারে মানুষের ব্যবহারের জন্য। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন বা সম্পদ আদান প্রদান সংক্রান্ত ব্যাপারগুলো দেশের আইন অনুযায়ী সামলানোর জন্য তৈরি হয়েছে ব্যাংক বা ব্যাংকিং সিস্টেম। আমরা যে বিষয়ে কথা বলছি সেই সাপেক্ষে ব্যাংকের ভূমিকা সেটা একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করি। ধরা যাক, কালাম সাহেব যে কোন...
That's what exactly happening nowadays! "All of my ummah will be fine except for those who commit sin openly, an example of which is a man who does something at night, and when morning comes and Allaah has concealed his sin, he says, 'O So-and-so, I did such and such yesterday.' His Lord had covered his sin all night, but he has uncovered what Allaah had concealed." (Reported by al-Bukhaari, Fath 10/486)

জাতীয় উন্নয়ন : প্রাসঙ্গিক ভাবনা

উন্নয়নের একটি গ্রহণীয় সংজ্ঞা নির্ধারণ খুবই কঠিন। এটা আজ পর্যন্ত নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। কারণ এক এক তাত্ত্বিক এক এক ধরনের সংজ্ঞা দিয়েছেন। যেমন, অর্থনীতিবিদরা সব সময়ই উন্নয়নের সংজ্ঞার মধ্যে অর্থনীতিকে টেনে এনেছেন। সমাজবিজ্ঞানীরা উন্নয়নের সংজ্ঞার মধ্যে সমাজের উন্নয়নকে জোর দিয়েছেন। মনোবিজ্ঞানীরা উন্নয়নের সংজ্ঞার মধ্যে মানুষের মন-মানসিকতার উন্নয়নকে জোর দিয়েছেন। প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানীরা উন্নয়নের সংজ্ঞার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারের ওপর জোর দিয়েছেন। নৃ-বিজ্ঞানীরা উন্নয়নের সংজ্ঞার মধ্যে সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ফলে দেখা যায়, কেউই উন্নয়নের সর্বজনীন ও গ্রহণীয় সংজ্ঞা দিতে পারেননি। প্রত্যেকেই একটি নির্দিষ্ট সমাজ বা দেশের প্রেক্ষাপটে উন্নয়নের সংজ্ঞা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। এখন দেখা যাক বিভিন্ন তাত্ত্বিকের দৃষ্টিভঙ্গির পরিপ্রেক্ষিতে উন্নয়নের অতীত ও বর্তমানের সংজ্ঞা, যা উন্নয়নের গ্রহণীয় সংজ্ঞা সম্পর্কিত ধারণাকে আরো ত্বরান্বিত করবে। তবে আজকের এই লেখায় আমি অর্থনীতিবিদদের চোখে জাতীয় উন্নয়ন যেমন ঠিক তেমনটা তুলে ধরার চেষ্টা করব। জাতীয় উন্নয়নের এই ব্যাপারগুলো নিয়ে পুঙ্খানপ...
ছবি
তথাকথিত উন্নত (!) দেশে নাকি এরকম হয়, বাচ্চা-কাচ্চা বড় হওয়ার পর হঠাৎ একদিন উৎসবে মেতে ওঠে। ঘটনা কী? আজ নাকি তাদের বাবা-মার বিয়ে! ছোট বেলা থেকে পড়ে-লিখে আসছি বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। বড় হয়ে হঠাৎ একদিন দেখি উৎসবের আমেজ! বাংলাদেশ নাকি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে! যা সত্য বলেই জানতাম তা হঠাৎ সত্যি হয়ে যাওয়ার উচ্ছ্বাস ... এ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা! (জাতিসংঘের সাইট আপডেট মনে হয় অনেক স্লো... আমাদের এখনো স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে দেখাচ্ছে  -  https://www.un.org/.../least.../ldcs-at-a-glance.html এই সুযোগে আবার একদল দেখি আমাদের উদযাপন ঠেকাতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে -  https://www.jaachai.com/posts/post-2319 )
জার্মানির এক নামকরা ব্যাংকে ব্যাংক ডাকাতির সময়, ডাকাত দলের সর্দার বন্দুক হাতে নিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো, "কেউ কোন নড়াচড়া করবেন না, টাকা গেলে যাবে সরকারের,কিন্তু জীবন গেলে যাবে আপনার। তাই ভাবনা চিন্তা করে আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করুন।" এই কথা শোনার পর,সবাই শান্ত হয়ে চুপচাপ মাথা নিচু করে শুয়ে পড়েছিল। এই ব্যাপারটাকে বলে "Mind Changing Concept”,অর্থাৎ মানূষের ব্রেইনকে আপনার সুবিধা অনুযায়ী অন্যদিকে কনভার্ট করে ফেলা। সবাই যখন শুয়ে পড়েছিল,তখন এক সুন্দরী মহিলার অসাবধানবশত তার কাপড়,প া থেকে কিছুটা উপরে ঊঠে গিয়েছিল। ডাকাত দলের সর্দার তার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠল,"আপনার কাপড় ঠিক করুন!আমরা ব্যাংক ডাকাতি করতে এসেছি,রেপ করতে না।" এই ব্যাপারটাকে বলে "Being Professional”,অর্থাৎ আপনি যেটা করতে এসেছেন,অইটাই করবেন। যতই প্রলোভন থাকুক অন্যদিকে মনোযোগ দেওয়া যাবে না। যখন ডাকাতরা ডাকাতি করে তাদের আস্তানায় ফিরে এল,তখন এক ছোট ডাকাত(এমবিএ পাশ করা) ডাকাত দলের সর্দার(যে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে) কে বললো,"বস চলেন টাকাটা গুনে ফেলি" ডাকাত দলের সর্দার ...
আপনার পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আপনার সন্তান হওয়া উচিত না। ছোটবেলায় মাকে দেখতাম, মাছের মাথাটা সবসময় আব্বার প্লেটে দিতে। খুব ছোটবেলা থেকেই বুঝতাম যে তিনি এই পরিবারের প্রথম শ্রেণীর মানুষ। তিনি যখন ঘুমাতেন, তখন আমরা উচ্চস্বরে কথা বলতাম না। তার সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে, তার সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলার সাহস কখনই তৈরি হয়নি। আবার দাদী যখন বেড়াতে আসতেন, তখন মাকে দেখতাম আব্বার কিছু কিছু সুবিধা কমিয়ে দিতে। এটুকু ধারণা মা পরিষ্কার তৈরি করেছিলেন যে, সিনিয়ররা জুনিয়রদের চেয়ে অধিক  শ্রদ্ধাভাজন এবং অধিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন। এখন অবস্থা পাল্টেছে। যে কোন বাবা-মাকেই যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনার পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কে? তারা নিঃসন্দেহে বলবে, তাদের সন্তান। তাদের সন্তান সোনার টুকরা, হীরার টুকরা, প্লাটিনামের টুকরা। যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন তারা এতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারা এমন কি কাজ করেছে যে তারা এতটা গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সদুত্তর দিতে পারবে না। তারা কোন কারণ ছাড়াই, কোন যোগ্যতা অর্জন ছাড়াই প্রথম শ্রেণীর নাগরিক। আমাদের সমস্যার জায়গা এখানেই। কোন অফিসে যদি এমডির পরিবর্তে জুনিয়...
ফেইসবুক ডাটা ডাউনলোড করলাম। আমার আমলনামা আমারই সামনে। কখন, কবে, কোথায় কার সাথে কথা বলছি সব কিছুর রেকর্ড করে রাখছে ফেইসবুক। বেশ ভয়ংকর একটা ব্যাপার স্যাপার! একবার চিন্তা করেন এত খুঁটিনাটি পার্সোনাল ডাটা যদি সে অন্য আরেকজনকে দিয়ে দেয় তাইলে তো শ্যাষ! মানসম্মানের ফালুদা হবে!  তেমনি আমার দুইকাঁধের দুই ফেরেশতা আমার প্রতিদিনের ভালো মন্দ কাজ লিখে রাখছে। আলহামদুলিল্লাহ যে, আল্লাহ অনেক দয়া করে আমার এই মন্দ কাজগুলা পাবলিশ করেন নাই। তো শেষ বিচারের দিন আল্লাহর সামনে তারা ডাটাগুলো তুলে ধরবে একেবারে ভিডিওসহকারে। কোটি কোটি মানুষের সামনে মন্দকাজগুলো দেখানো হবে (এ কী করল বান্দা; দেখুন ভিডিও সহ)। মানসম্মান কই যাবে! আর তখন মানসম্মান দিয়া যে কী করব জানি না। ততক্ষণে সব শ্যাষ!  [এই পোস্ট থেকে যে যার মত লেসন নিবেন; যে যার মত বুঝবেন। দুইটা প্রেক্ষাপট তুলে ধরার ট্রাই করলাম; যার প্যাটার্ন প্রায় সিমিলার]
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের কপাল অার কোটাবিহীন জেনারেল ক্যাডারের প্রার্থীদের কপাল সেইম। প্রিলি, রিটেন, ভাইভা পাস হয় মাগার ক্যাডার জোটে না....... 
নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের মুখোমুখি।  প্রথমে টসে হেরে ব্যাট করতে নাম বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ করে বাংলাদেশ করে ১৬৬ রান।  জবাবে ভারত নেমে এক বল হাতে রেখে জিতে যায় ৪ উইকেটে।   একটা স্নায়ুক্ষয়ী ম্যাচ ছিল। বাঘের মত খেলেই হেরেছি আমরা।  নাগিন টার্মটা বিলুপ্তির আহবান জানাই। সাপের দেশ নই। টাইগার ছিলাম; টাইগার থাকব; আজীবন। 
সরকারী চাকুরির সার্কুলার ঠিক চিপ্সের প্যাকেটের মত। ৫৬% বাতাস আর ৪৪% চিপস। 
ছবি
ইসলামপূর্ব সময়ে আরবদের মাঝে অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ছিলেন হাতিম তাঈ (মৃত্যু ৬০৫ সাল)। সবাই তার দানদক্ষিণার খবর জানতেন। এ ব্যাপারে তিনি ছিলেন আরবদের মাপকাঠি। তিনি গরিবদের খাবার দিতেন। আজনবিদের আশ্রয় দিতেন। তিনি শত্রুদের প্রতি দয়াপরবশ ছিলেন। মানুষের কাছে তিনি এত বেশি বিখ্যাত ছিলেন যে, আজও আরবরা তাকে ‘দাতা হাতিম তাঈ’ নামে চেনে। তার ছেলে ‘আদি বিন হাতিম ইসলাম বরণ করেছিলেন। ত িনি ছিলেন প্রসিদ্ধ এক সাহাবি। একদিন নবিজির ﷺ কাছে তিনি তার বাবার ব্যাপারে শুধালেন, “আল্লাহর রাসূল, আমার বাবা আত্মীয়স্বজনদের সাথে সদাচরণ করতেন, গরিবদের খাওয়াতেন, তিনি অমুকটা করতেন, তমুকটা করতেন...” এভাবে তিনি তার বাবার অনেক অনেক ভালো কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরে বললেন, “...তিনি কি এগুলোর জন্য পুরস্কার পাবেন?” আল্লাহর রাসূল ﷺ উত্তরে বললেন, “‘আদি, তোমার বাবা কিছু একটা চেয়েছিলেন [মানে খ্যাতি], তিনি সেটা পেয়েছেন।” [আহমাদ তার মুসনাদে বর্ণনা করেছেন এটি] যতবার কোনো বিখ্যাত লোক মারা যান, ঘুরেফিরে মুসলিমদের মাঝে এই একই প্রশ্ন আর মনোভাব ঘুরপাক খেতে থাকে। অথচ এ প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দেওয়া আছে আমাদের কুরআন-সুন্নাহর ভাষ্যে। একজন মান...
১) কিছু জিনিস ক্লিয়ার করা দরকার মনে হচ্ছে। মুসলিম হিসেবে আমি আমার ইলাহকে আল্লাহ বলে ডাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কেননা আমার ধর্মগ্রন্থ কুর'আনে বার বার আল্লাহর নাম আছে; আল্লাহর নিরান্নবইটা সুন্দর সুন্দর নাম আছে। এগুলো ছেড়ে কেন আমি/আমরা GOD বলে ডাকতে যাব এটাই আমার মাথায় আসে না! যেখানে এই GOD নামের কোন অস্তিত্ব আমার ধর্মে নাই সেখানে মুসলিমরা কেন ডাকবে তাদের ইলাহকে অন্য নামে?  ২) হকিংস একজন নাস্তিক ছিল; সে বলেছে সে GOD এ বিশ্বাস করে না। ফাইন। এখানে আমার কোন মাথাব্যথা নাই। সে তার বিশ্বাস নিয়েই মরেছে। তারপরেও যখন অনেকে Rest in Peace লিখছে। এখানেই বিষয়টা হাস্যকর হয়ে গেছে। আজ হকিংস বেঁচে থাকলে তাদের জুতা খুলে মোজা দিয়ে পিটাতো!

আল্লাহ না করুন যদি আমি আগামীকাল মারা যাই ....

(একটা ট্রেন্ড ভাইরাল হয়েছে, ভালো জিনিস তাই আমিও বলছি)  আল্লাহ না করুন যদি আমি আগামীকাল মারা যাই .... যেসব জিনিস করবেন এবং কখনোই করবেন না- ১) আমার ছবি ব্যবহার করে RIP ওয়ার্ড ইউজ করে কোন পোস্টার বানাবেন না। আমি এমন কেউ নই যে এসব করতে হবে। আপনাদের দু'আয় আমাকে শুধু রাখলেই চলবে। ২) ফেইসবুকে একটা সিস্টেম আছে যা আমি অনেক আগেই সেট করে রেখেছি। আমি মারা গেলে একমাত্র আমার একজন ক্লোজ ফ্রেন্ড এই আইডি ডিলিট অথবা মেমরালাইজ করে দিতে পারবে। আপনাদের অনুরোধ করব, আমার দৃশ্যমান পোস্টে অথবা ছবিতে দয়া করে ভিড় করবেন না। ৩) ফেইসবুক ছাড়াও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিচরণ রয়েছে। সেসবের আলামত যদি প্রকাশ পেয়ে যায়, দয়া করে ছড়াবেন না। রিপোর্ট করে বন্ধ করে দিবেন। ৪) আমি এমন কাজ করেছি/করছি যা হয়তোবা আমার ধর্মের বিপরীতে এসব আলামত দৃশ্যমান হলে দয়া করে কেউ স্ক্রিনশট নেবেন না; ছড়াবেন না। আপনি যদি আমার শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকেন তাহলে আমার গুনাহ বাড়াতে সহায়তা করবেন না আশা করছি। ৫) অনেকের সাথেই অনেক কিছু নিয়ে চ্যাট হয়। চ্যাটের স্ক্রিনশটগুলো দয়া করে ছড়াবেন না। ৬) আমি হয়তোবা অজ্ঞানে/সজ্ঞানে অনেকক...

বাংলাদেশের জন্য এক কালো দিন!

ছবি
একই দিনে দুটি শোক সংবাদ -- মিরপুরে বস্তিতে আগুন, সব পুড়ে ছারখার আর কাঠমান্ডুতে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স বিধস্ত; নিহত ৪৫ বাকিরা আহত ও নিখোজ।   Bangladeshi plane crashes in Nepal, killing at least 49 Link: https://www.reuters.com/article/us-nepal-crash/bangladeshi-plane-crashes-in-nepal-killing-at-least-49-idUSKCN1GO0WP আজকের নেপালগামী ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সে আমার ও আমার পরিবারের পরিচিত ৭ জন যাত্রী ছিলেন যাদের মধ্যে সবাই নিহত ও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ  :(  সকালে হোমপেইজে এক পরিচিত দম্পতির সেলফি দেখেছিলাম জানতাম না যে ওরা কোথায় যাচ্ছে; হানিমুনে যাচ্ছে এটাই শুধু জানতাম। এখন ওদের আইডি চেক করে দেখলাম ওরা ওই প্লেনেই কাঠমান্ডু যাচ্ছিল  :(  আরেকজন আমার বয়সী আমার ছোট বোনের বান্ধবীর বড় ভাই। রিসেন্টলি অনেক ফ্রেন্ড ঘুরতে গেছে। জানি না আরও অনেক পরিচিত আছে কিনা  :(  খুবই খারাপ লাগছে আর এই কাপলের ছবি চোখে ভাসছে। ইস ওরা যদি জানত ওরা কখনোই যেত না। দেশেই কোথাও হানিমুনটা সেরে নিত  :(  মৃত্যুই ওদের বাংলাদেশ থেকে টেনে নিয়ে গেল কাঠমান্ডুতে।   A deta...

ক্রিকেট এখন ন্যাশনালিজমের সিম্বল

নোয়াম চমস্কি বলেছিলেন, “হাইস্কুলে পড়ার সময় মনে হয়েছে, এই যে হাইস্কুল টিমকে আমি সাপোর্ট করছি, কেন? আমি তো এই টিমের কাউকেই চিনি না, অথচ ঠিকই চিৎকার করে গলা ফাটিয়ে ফেলছি। হোয়াই ডু আই কেয়ার? চমস্কি বলছেন, এই সাপোর্টের মধ্য দিয়ে এক ধরনের “ইর‍্যাশনাল রিলেশনশীপ” (অযৌক্তিক সম্পর্ক) এর জন্ম হয়, যা মূলত আমাদেরকে কর্তৃত্বপরায়ণবাদীতার কাছে আত্মসমর্পণ শিখায়, অথোরিটেরিয়ানের (স্বৈরাচারী) অনুগত করে।  চমস্কি আরো বলছেন, দেখবেন সবাই খেলা নিয়ে কেমন এক্সপার্ট মত দিচ্ছে। কী করতে হবে বয়ান দিচ্ছে। এমনকি এক্সপার্টদের সাথে বিতর্ক কছে। তার মানে, তারা খেলা নিয়ে ভাবে। গভীরভাবে চিন্তা করে। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয় নিয়েও এনালাইসিস দাঁড় করায়।  কিন্তু তারা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে মোটেও আগ্রহী না, যদিও সেটা তাদের জীবনযাত্রাকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে। কারণ, এই খেলা নিয়ে মেতে থাকাটা পলিটিক্যালি কারেক্ট (রাজনৈতিকভাবে নির্ভূল)। নির্ভেজাল এবং নির্ঝঞ্ঝাট বিনোদন। কিন্তু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণগুলো এই রকমের নির্বিষ না।  এগুলা নিয়ে চিন্তা করলে তাই “চাকরি থাকবে না”। চমস্কি তাই বলছেন, বিংশ ...
"পৃথিবীজুড়ে যখন ডাইনোসরের রাজত্ব তার কোনো এক পর্যায়ে ‘নেংটি ইঁদুরের মতো’ স্তন্যপায়ী প্রাণীর জন্ম হয়েছে। ৬৫ মিলিওন বছর আগে গ্রহাণুর আঘাতে ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়ে গেলে খোয়াড় ছেড়ে বেরিয়ে আসে এই নেংটি ইঁদুরের মতো প্রজাতি। এই ছোট ইঁদুরের মতো স্তন্যপায়ী প্রাণীগুলোই হচ্ছে আমাদের পূর্বপুরুষ!” -- ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল*  "...যিনি তোমাদের এক আত্মা (আদাম) থেকে সৃষ্টি করেছেন, এরপর তার থেকে সৃষ্টি করেছেন তার সঙ্গিনীকে। এই দম্পত্তি থেকে দিকদিগন্তে ছড়িয়ে দিয়েছেন অসংখ্য নর-নারী..." - আল্লাহ সুব হানু ওয়া তা'আলা**  রেফারেন্সঃ * বিগ ব্যাং থেকে হোমো সেপিয়েন্স - জাফর ইকবাল ** আল কুর'আন সুরা আন নিসা আয়াত ১ এর অংশবিশেষ - আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা'আলা 

মাঝামাঝি ম্যারেজ

আজকাল নতুন এক চল শুরু হয়েছে। মা-বাবার পছন্দের পাত্র ঠিক হবার পরে আংটি বদল হয়। তারপর মেয়েটিকে বলা হয় ৬ মাস বা তার বেশি সময় বাগদত্তার সাথে মেলামেশা করতে। এর পরে যদি সব 'ওকে' থাকে তাহলে ছেলেমেয়ের বিয়ে হয়। নতুবা নয়।  আমার প্রশ্ন হল, এটাকে এরেঞ্জ ম্যারেজ কীভাবে বলে? এমন তো না যে আংটি বদল মানেই আকদ হয়ে গেছে! দে বিহেইভ লাইক আ বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড! লাভ আর এরেঞ্জ ম্যারেজের ঠিক মাঝামাঝি কিছু একটা বানানো হল মনে হচ্ছে! যাই হোক, যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার! আমি তুমি কে? 
পশ্চিমি সেকুলার রাষ্ট্রগুলোর মতে, ধর্মীয় প্রতীক জনপরিসরে নিষিদ্ধ করতে হবে। কিন্তু এখানে রাষ্ট্রকে আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন কোন বস্ত্র, অলঙ্কাার কিংবা বস্তুকে তারা ধর্মীয় প্রতীক মনে করে। ইউরোপিয়ান কয়েকটি দেশে সম্প্রতি হিজাব নিয়ে ওঠা বিতর্ক ওই প্রশ্নটিকে আরো উসকে দেয়। সেকুলার বুদ্ধিজীবীদের দাবি, যেহেতু হিজাব একটি ধর্মীয় প্রতীক সেহেতু মুসলিম নারীদের এটা ‘পাবলিক প্লেস’ বা জনপরিসরে পরা উচিত নয়। রাষ্ট্রীয় অফিস-আদালতেও হিজাব নিষিদ্ধের দাবি করেন তারা। কিন্তু হিজাব যে একটি ধর্মীয় প্রতীক বা চিহ্ন এর যৌক্তিক ভিত্তি কী? যখন কোনাে নির্দিষ্ট ব্যক্তি অথবা জনসাধারণের একটি অংশ প্রতীক বা চিহ্নের ইতিহাস সম্পর্কে অবগত থাকে তখনই শুধু কোনো বস্তুর প্রতীক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে ওই নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর কাছে। হিজাবের ‘সিম্বলিক ফাংশন’ শুধু তাদের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ যারা এটাকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবহার করে। ওই ‘সিম্বলিক ফাংশন’ সবার কাছে এক নয়। হিজাবের ফ্যাশনকে যারা বাণিজ্যিকীকরণ করছে তাদের কাছে এটার কোনো ধর্মীয় তাৎপর্য নেই। তাই বলা যায়, ইসলামের অনুসারী যারা হিজাব ধর্মীয় কারণে পরেন তাদের কাছেই শুধু হিজাব একটি...

বাপদাদার ক্রেডিট

ধর্মটা আমরা পেয়েছি বাপদাদার মাধ্যমে। আপনি মুসলিম ঘরে জন্ম নিয়েছেন বলেই আজ মুসলিম। হিন্দুর ঘরে জন্ম নিলে হতেন হিন্দু। তাই এতে Proud to be a Muslim বলার কোনো স্কোপ নাই। এর চেয়ে বলেন Grateful to be a Muslim. একজন রিভার্টেড মুসলিম আমাদের মত বাপদাদার বলে সম্পত্তি পায়নি, ওরা আসলেই গ্রেটফুল আর অযথা লাফালাফি করেনা।  ঠিক তেমনি আমাদের দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের কতিপয় পুত্র, নাতিকে দেখলে, তাদের কথা শুনলে মনে হয় তারাই যুদ্ধ করেছে। কিন্তু সব ক্রেডিট হল বাপদাদার। তারাই যতসব কোটা আর সুবিধা  পাবার যোগ্য। তারাই যুদ্ধ করেছে দেশ স্বাধীন করেছে। এসব লাফানো ছেলেপেলে নাতিদের কাজকর্ম এর সাথে নামকাওয়াস্তে ধর্ম পাওয়া অন্ধদের আস্ফালনের মিল পাই।
জনসম্মুখে কোন বক্তৃতা দেবার আগের দিন আমি সাধারণত আমার মায়ের সামনে একবার অনুশীলন করে নিই। তিনি আমার ভুলত্রুটিসমূহ শুধরে দেন। আমার মায়ের চোখে আমি একজন বাজে বক্তা, যে কিনা এখনো অনর্গল ইংরেজি বলা রপ্ত কর‍তে পারেনি। আমি মা'কে এটা বলে স্বান্তনা দিই যে 'আমি তো বাঙ্গালি; ব্রিটিশ নই। চালিয়ে দেবার মত ইংরেজি পারলেই হল। আর তুমি যদি দেখতে আমার চেয়েও বাজে বক্তা দুনিয়াতে আছে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ বলতে। এটাকে অহমিকা বলে না। এটা হল আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন। নিকৃষ্টতর তো হতে পারতাম তাই না?'    . আমরা নিজ নিজ অবস্থা হতে যদি নিজেদের উপর সন্তুষ্ট থাকি; আশা করি ঈর্ষা, দম্ভের মত খারাপ ব্যাপারগুলো আমাদের মাঝে হতে চলে যাবে। আর সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামতের ব্যাপারে কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন তো অত্যাবশ্যকীয় বিষয়।