ভার্চুয়াল ইন্টার্ন এক্সপেরিয়েন্স
অলস মস্তিষ্ক আমার তাই নানান জিনিস মনে ঘুরে। সামনে ইন্টার্নশিপ নাকি থিসিস করব এটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে চিন্তা করলাম, আচ্ছা এমন হলে কেমন হয় যদি আমি বাসায় বসেই ইন্টার্ন করতে পারতাম। এটাকে কি নাম দেয়া যায়? ভার্চুয়াল ইন্টার্ন এক্সপেরিয়েন্স? ওকে! যেই ভাবা সেই কাজ! গুগলে সার্চ দেয়া শুরু করলাম! ওমা! এমন জিনিস ভুরি ভুরি! বাংলাদেশে নাই; তবে পাশের দেশে অনেক আছে! এক বিদেশি বন্ধুর শরণাপন্ন হলাম। সে একটু বুঝিয়ে বলে এক জায়গার ঠিকানা দিল। আমি রিজিউমে জমা দিয়া দিলাম। ওদের রোবটটা বলল, তোমার সাথে কথা বলব, টাইম ডেট বুকিং দাও। ছোটখাট ইন্টারভিউ। আমি স্কাইপে ইন্টার্ভিউ আগেও দিয়েছি সো চিন্তা না করেই বুকিং দিয়ে দিলাম। আমার সাথে কথা বলবে লুক পিয়েজ নামের এক ভদ্রলোক সুদূর ইউকেই থেকে। ভয়ে ছিলাম ব্রিটিশদের কথা বুঝি কিনা। যথারীতি সময়মত পাক্কা আধা ঘণ্টা বকবক করলাম দুইজন। আমি ভেবেছিলাম সে খুব ফাস্ট হবে আর আমি কিছু বুঝব না বাট উল্টাটা হয়েছে। যাই হোক, ভার্চুয়াল ইন্টার্নশিপে অনেক খরচ! তবে ওরা মানি দেয় ঘণ্টা হিসেবে। এটা ভালো দিক। ১০-১৫ ঘণ্টা এক সপ্তাহে। কাজ হবে উত্তর ইউরোপের একটা কোম্পানির সাথে। লুকের আর্টিফিশিয়াল ইনটিলিজেন্স ওদের ডিমান্ড ও আমার প্রফাইলের সাথে ম্যাচ করে ঠিক করে দিয়েছে সব। এখন দেখা যাক কখন শুরু করা যায়! আমাকে এক বন্ধু চ্যাটে প্রশ্ন করেছিল, এই তুমি এত রাত্রে বসে বসে কি কর? প্রেম কর? আমি কিছু বলি না! হাসি :P
(আমি অলওয়েজ নিজের ঢোল নিজে পেটাতে ভালবাসি।আরেকজনকে পেটাতে দিলে সেটা ফেটেও যেতে পারে তাই ;) আর ঢোল পেটাতে পেটাতে আরেকটা ভালো কাজ করি সেটা হল আমি যা নতুন জানলাম তা আমার অডিয়েন্সকে জানানো)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন