প্রথম বেঙ্গল বই দর্শন
আজ হুট করেই মামাতো ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ। ভার্সিটি বাসে বাড়ি ফিরছিলাম; তো সেও সেই পথেই ছিল। অনেকদিন দেখা হয়না ভাবলাম সে যখন ঢাকা এসেছে দেখা হওয়া দরকার। ভাইয়ের কথা মত সাতাশের কোণে নেমে গেলাম। তারপর দুজনে মিলে বেঙ্গল বইয়ে গেলাম।
জায়গাটি বেশ পরিপাটি। সাজানো গুছানো। প্রবেশ মুখে সিকিউরিটি চেক করে ব্যাগে কোন এক্সপ্লসিভ আছে কিনা! নিচ তলা হতেই বই শুরু। সাথে দেখলাম কিছু কারুকার্য। মানুষ সেথায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে। আরেকটু সামনে গিয়ে পেলাম বসে আড্ডা দেবার মত একটা জায়গা। যেখানে খাওয়াও যায়! যেহেতু ঘুরতে এসেছি তাই দুইভাই মিলে ঠিক করলাম কিছু হালকা পাতলা খাবোও।

দ্বিতীয় তলায় উঠার আগে আমার ব্যাগটি জমা দিতে হল। উপরের তলা অন্যরকম সুন্দর। তাকে তাকে বই সাজানো। মনোরম দৃশ্য। বসে বসে অনেকে পড়ছেও। জায়গায় জায়গায় লেখা 'এখানে বসে শুধু পড়াই যাবে। খাওয়া বারণ'। বেশ কিছু মুক্তিযুদ্ধের বই দেখলাম। বই নেড়ে দেখার সময় পেলাম না। এখানে বই ইস্যু করে তারপর পড়তে হয়। সে সময় নেই। খেতে হবে কিছু আগে।
ফুডকোর্টের সামনে একজন টিভি ব্যক্তিত্বকে দেখলাম গসিপ করছেন বান্ধবীর সাথে। তিনি আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে ছিলেন। সে যাকগে, আমরা খাবার অর্ডার দিয়ে পাশের ঝুলন্ত বারান্দায় বসে খেতে থাকলাম ক্যাপাচ্চিনো! সাথে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সব আলাপ। যেটা বুঝলাম এখানে সবাই যেমন পড়তে আসে, তেমনি অনেকে প্রেম করতেও আসে; ছবি তুলতে আসে। আবাল বৃদ্ধবনিতা সবাইই আসে আড্ডা দিতে। ভালোই পরিবেশটা। বারান্দা হতে সামনের উঠোনের গাছে গাছে বেতের তৈরি কারুশিল্পে আলোকসজ্জা। কিছু ছবি তুলে ফেললাম আমরা।

খাওয়াদাওয়া শেষ করতে করতে আধা ঘণ্টা পেরিয়ে গেল। পরে সেখান থেকে উঠে ৩য় তলায় উঠে আবিষ্কার করলাম সেই বিখ্যাত হলদে ডিম যেথায় মেয়েরা বসে ছবি তুলে। বাঙালি বসতে বসতে জায়গাটা নোংরা করে ফেলেছে। ফাকা পেয়ে এক যুগল তো ফটোগ্রাফিও শুরু করে দিয়েছে।

এবার যাবার পালা। রাত আটটা ছুঁই ছুঁই। ব্যাগ বুঝে পেয়ে বেঙ্গল বইয়ের সামনে একটা ছবি নিলাম। এরপর বের হয়ে গেলাম। একটু পরেই শুরু হল অঝোর ধারায় বৃষ্টি। বছরের দ্বিতীয় বৃষ্টি হলে এই মনোরম সন্ধ্যার প্রথম বৃষ্টি যা একজন বইপ্রেমীকে রোম্যান্টিক করে তুলতে করে বাধ্য!
জায়গাটি বেশ পরিপাটি। সাজানো গুছানো। প্রবেশ মুখে সিকিউরিটি চেক করে ব্যাগে কোন এক্সপ্লসিভ আছে কিনা! নিচ তলা হতেই বই শুরু। সাথে দেখলাম কিছু কারুকার্য। মানুষ সেথায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে। আরেকটু সামনে গিয়ে পেলাম বসে আড্ডা দেবার মত একটা জায়গা। যেখানে খাওয়াও যায়! যেহেতু ঘুরতে এসেছি তাই দুইভাই মিলে ঠিক করলাম কিছু হালকা পাতলা খাবোও।

দ্বিতীয় তলায় উঠার আগে আমার ব্যাগটি জমা দিতে হল। উপরের তলা অন্যরকম সুন্দর। তাকে তাকে বই সাজানো। মনোরম দৃশ্য। বসে বসে অনেকে পড়ছেও। জায়গায় জায়গায় লেখা 'এখানে বসে শুধু পড়াই যাবে। খাওয়া বারণ'। বেশ কিছু মুক্তিযুদ্ধের বই দেখলাম। বই নেড়ে দেখার সময় পেলাম না। এখানে বই ইস্যু করে তারপর পড়তে হয়। সে সময় নেই। খেতে হবে কিছু আগে।

খাওয়াদাওয়া শেষ করতে করতে আধা ঘণ্টা পেরিয়ে গেল। পরে সেখান থেকে উঠে ৩য় তলায় উঠে আবিষ্কার করলাম সেই বিখ্যাত হলদে ডিম যেথায় মেয়েরা বসে ছবি তুলে। বাঙালি বসতে বসতে জায়গাটা নোংরা করে ফেলেছে। ফাকা পেয়ে এক যুগল তো ফটোগ্রাফিও শুরু করে দিয়েছে।

এবার যাবার পালা। রাত আটটা ছুঁই ছুঁই। ব্যাগ বুঝে পেয়ে বেঙ্গল বইয়ের সামনে একটা ছবি নিলাম। এরপর বের হয়ে গেলাম। একটু পরেই শুরু হল অঝোর ধারায় বৃষ্টি। বছরের দ্বিতীয় বৃষ্টি হলে এই মনোরম সন্ধ্যার প্রথম বৃষ্টি যা একজন বইপ্রেমীকে রোম্যান্টিক করে তুলতে করে বাধ্য!



মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন