Missing Job Life!
আজ এক ভাই বললেন তিনি মতিঝিল থেকে হেঁটে কারওয়ানবাজার এসেছেন। মারাত্মক জ্যাম। উনার কথা শুনেই নিজের কথা মনে পড়ে গেল।
.
জ্যামে বাসের সিটে ঝিমানোর মত পাবলিক ছিলাম না আমি। প্রতিদিন মতিঝিল হতে বাড়ি ফিরতে হত কাজ শেষে। দৈনিক বাংলা মোড়ে জ্যাম দেখলেই হাঁটা দিতাম। কী গরম কী ঠাণ্ডা কিছুই মানতাম না। প্রতিদিন আসার সময় নতুন নতুন পথে আসতাম, দেখতাম কোনদিক দিয়ে আসলে আমি কম সময়ে বাড়ি পৌঁছাতে পারব। যেদিন স্যালারি পেতাম সেদিন তো হাঁটার গতিটা একটু বেড়েই যেত। ভেতরে ভয় ও উত্তেজনা দুটোই কাজ করত। আউটডোর কল যদি গুলশান-উত্তরা পড়ত আর জ্যাম থাকত সেদিন খবর হয়ে যেত। প্রজেক্ট শেষ করে ফিরতে ফিরতে রাত বারোটা একটা বাজত। নরমালি অফিস থেকে প্রতিদিনকার বাসায় ফেরার সময় হিসেব করতাম। নিজের সাথে নিজের প্রতিযোগিতা। কত কম সময়ে বাড়ি ফেরা যায়। সর্বনিম্ন সময় ছিল বোধহয় আটাশ মিনিট (মতিঝিল থেকে বাসা) আর ৭৪ মিনিট (গুলশান থেকে)।
.
দিনগুলো প্যাঁড়ার ছিল; ফেইসবুকবিহীন জীবন ছিল। তবুও ভালো ছিল। এখন আমি জ্যামে বাসে বসে ঝিমাই
.
জ্যামে বাসের সিটে ঝিমানোর মত পাবলিক ছিলাম না আমি। প্রতিদিন মতিঝিল হতে বাড়ি ফিরতে হত কাজ শেষে। দৈনিক বাংলা মোড়ে জ্যাম দেখলেই হাঁটা দিতাম। কী গরম কী ঠাণ্ডা কিছুই মানতাম না। প্রতিদিন আসার সময় নতুন নতুন পথে আসতাম, দেখতাম কোনদিক দিয়ে আসলে আমি কম সময়ে বাড়ি পৌঁছাতে পারব। যেদিন স্যালারি পেতাম সেদিন তো হাঁটার গতিটা একটু বেড়েই যেত। ভেতরে ভয় ও উত্তেজনা দুটোই কাজ করত। আউটডোর কল যদি গুলশান-উত্তরা পড়ত আর জ্যাম থাকত সেদিন খবর হয়ে যেত। প্রজেক্ট শেষ করে ফিরতে ফিরতে রাত বারোটা একটা বাজত। নরমালি অফিস থেকে প্রতিদিনকার বাসায় ফেরার সময় হিসেব করতাম। নিজের সাথে নিজের প্রতিযোগিতা। কত কম সময়ে বাড়ি ফেরা যায়। সর্বনিম্ন সময় ছিল বোধহয় আটাশ মিনিট (মতিঝিল থেকে বাসা) আর ৭৪ মিনিট (গুলশান থেকে)।
.
দিনগুলো প্যাঁড়ার ছিল; ফেইসবুকবিহীন জীবন ছিল। তবুও ভালো ছিল। এখন আমি জ্যামে বাসে বসে ঝিমাই
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন