গুণীর কদর!


আমার প্রফেসর জামাল নজরুল স্যারকে এজন্যই অনেক ভালো লাগে। উনি সব ছেড়েছুড়ে দেশে চলে এসেছিলেন। প্রচণ্ড প্রচারবিমুখ ছিলেন। বাইরে যে পরিমাণ মানুষ জানত তাঁকে; দেশে বলতে গেলে কেউই চিনতো না। তাঁর পরেও তিনি আমাদের দেশে যে পরিমাণ অবদান রেখে গেছেন সেটা একমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জানে। কাজ করতে হয় চুপেচাপে। এত লোক দেখিয়ে বাংলাদেশে আগে কিছুই হয়নি আর হবেও না; কেননা মানুষ গুণীর কদর দিতে জানেনা। মরলে ঠিকই হুশ ফিরে। 

এই লেখার মোটিভ হল মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার। তাঁর উপর আজ হামলা হয়েছে। হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে। স্যার গুরুতর আহত। সিলেট ওসমানী মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসায় কাজ হয়নি বলে ঢাকায় আনা হচ্ছে শেষ খবরে শুনলাম।  

সময় টিভির লাইভ দেখছিলাম। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের মুখে উল্লাস। তাঁকে 'নাস্তিক' আখ্যা দিয়েছে কেউ কেউ। আমি মানুষ জাফর ইকবাল কেমন সেই বিচারে যাব না। মানুষ বিচার করার যোগ্যতা আমার নাই। লেখক জাফর ইকবালের লেখা আমি পড়েছি। স্কুলে একবার স্যারের বই পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছিলাম। তাঁর বড় ভাই হুমায়ুন আহমেদের গল্প পড়ে আমি পরে গল্প লেখায় অনুপ্রেরণা পেতাম। জাফর স্যারের এর লেখা আমায় ততটা টানে না। আর তাঁকে আমি হুমায়ুন আহমেদের কাতারে ফেলতে রাজি নই। 

তবে তিনি নিঃসন্দেহে দেশের জন্য এক সম্পদ। তাঁর সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।     

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি