রোহিঙ্গা ইস্যু

আজ কতগুলো বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

এক. রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের তৎপর হওয়া। কূটনৈতিক চ্যানেলে বাংলাদেশের ভূমিকাকে আরও সম্প্রসারিত করা। 

দুই. মিয়ানমারে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক একটি প্যানেলের মাধ্যমে চিহ্নিত করা এবং তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মাধ্যমে বিচার করা। অং সান সু চি তার দায় এড়াতে পারেন না। তাকেও বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে। 

তিন. মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে হবে। এবং মিয়ানমারে সব ধরনের অস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনে মিয়ানমার সরকারের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যেতে পারে। অতীতে যুক্তরাষ্ট্র ইরান ও ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের নেতাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। মিয়ানমারের সম্পত্তি (বিদেশে) ফ্রিজ করার সিদ্ধান্তও নিতে পারে জাতিসংঘ। 

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, জাতিসংঘ কিছুই করতে পারবে না। জাতিসংঘ মহাসচিব সু চির জন্য যতই ‘শেষ সুযোগের’ কথা বলুন না কেন, নিরাপত্তা পরিষদে উল্লিখিত সিদ্ধান্তগুলোর একটিও কার্যকর করতে পারবেন না। কারণ মিয়ানমারে বৃহৎ দেশগুলোর স্বার্থ অনেক বেশি। তাই রোহিঙ্গা নির্যাতনের কাহিনী শুধু কাগজ-কলমেই থেকে যেতে পারে। 

মূল লেখা: Tareque Shamsur Rehman স্যার

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি